সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্ত’ ও দ্বিতীয় বিয়ের দাবি ঘিরে নতুন রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিও ফাঁসের পর এমপি গাজী নজরুল ইসলাম এবং ওই তরুণী মরিয়ম খাতুন ও তার বাবা দাবি করেছিলেন যে পারিবারিকভাবে ৩ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তবে এই বিয়ের কাবিননামা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে ঘোর আপত্তি ও ধোঁয়াশা তৈরি করেছেন স্বয়ং নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজী মাওলানা বিএএম বাকী বিল্লাহ।
গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে কাজী বাকী বিল্লাহ জানান, বিয়েটি কোথায় বা কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে সে বিষয়ে তিনি প্রথমে কিছুই জানতেন না। গত সোমবার গভীর রাতে তাকে ফোনে জানানো হয় যে ঢাকায় বিয়ে হয়েছে এবং কাবিননামা নিবন্ধনের দায়িত্ব তাকে নিতে হবে। পরবর্তীতে ফোনের নির্দেশনার ভিত্তিতেই তিনি ১৭ জুনকে বিয়ের তারিখ হিসেবে উল্লেখ করে কাবিননামা প্রস্তুত করেন এবং পরদিন সকালে কনে ও তার অভিভাবক এসে তাতে স্বাক্ষর করেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রশ্ন করা হলে কাজী বিব্রতবোধ করেন এবং ‘ভাই বিপদে ফেলে দেবেন না’ বলে ফোন কেটে দেন। অন্যদিকে ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে যে, দাবিকৃত ১৭ জুনের বিয়ের পরেও গত ২২ জুনের একটি বায়োডাটায় ওই তরুণীকে ‘অবিবাহিত’ দেখানো হয়েছে এবং সেখানে খোদ এমপি গাজী নজরুল ইসলামের সুপারিশ ও স্বাক্ষর রয়েছে, যা পুরো ঘটনাটিকে আরও বেশি রহস্যজনক করে তুলেছে।
মন্তব্য করুন