বিএনপি সরকারের পতন এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মুহাম্মদ রাশেদ খান। তিনি দাবি করেছেন যে, বর্তমান বিরোধী রাজনৈতিক জোটে ঐক্যের চেয়ে পারস্পরিক বিভক্তি ও ভাঙনের প্রবণতাই বেশি প্রকট হয়ে উঠেছে।
মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেন, সম্প্রতি খেলাফত মজলিস জোট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার ফলে পূর্বে যে বিরোধী জোটকে ১১ দলীয় বলা হতো, তা এখন সংকুচিত হয়ে ৯ দলীয় জোটে রূপ নিয়েছে। তাঁর মতে, এই ধরনের অভ্যন্তরীণ অন্তর্দ্বন্দ্ব ও দলত্যাগের ঘটনা বিরোধী শিবিরের সাংগঠনিক দুর্বলতারই স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।
এ সময় অতীত রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ অতীতে আসন ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে মতবিরোধে জড়িয়েছিলেন। রাজনৈতিক এই সমীকরণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি আরও দাবি করেন যে, দলগুলোর অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের পেছনে জামায়াতের সম্ভাব্য লাভ-লোকসানের হিসাব-নিকাশও একধরনের প্রভাব ফেলেছিল। সার্বিক পরিস্থিতিতে বিরোধী শিবিরের এই অনৈক্য ও অস্থিতিশীল অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাশেদ খান।
মন্তব্য করুন