দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Mar 12, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের উৎপাদন নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত শুরু

০ শেয়ার
বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের উৎপাদন নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত শুরু
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত সক্ষমতা ও বৈষম্যমূলক নীতির মাধ্যমে মার্কিন বাজার ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশের উৎপাদন খাতের ওপর বিশেষ তদন্ত শুরুর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
  • মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR) জেমিসন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ‘সেকশন ৩০১(বি)’-এর অধীনে এই তদন্ত পরিচালিত হবে।
  • মূলত এসব দেশের উৎপাদন নীতি এবং ‘কাঠামোগত অতিরিক্ত সক্ষমতা’ মার্কিন বাণিজ্যের জন্য বৈষম্যমূলক বা ক্ষতিকর কি না, তা যাচাই করাই এই তদন্তের মূল উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশের উৎপাদন খাতের ওপর বিশেষ তদন্ত শুরুর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR) জেমিসন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ‘সেকশন ৩০১(বি)’-এর অধীনে এই তদন্ত পরিচালিত হবে। মূলত এসব দেশের উৎপাদন নীতি এবং ‘কাঠামোগত অতিরিক্ত সক্ষমতা’ মার্কিন বাণিজ্যের জন্য বৈষম্যমূলক বা ক্ষতিকর কি না, তা যাচাই করাই এই তদন্তের মূল উদ্দেশ্য। বুধবার (১১ মার্চ, ২০২৬) ইউএসটিআর-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

তদন্তের তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, মেক্সিকো, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভিয়েতনামের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদাররা। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার কড়া ভাষায় বলেন, “অন্য দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র নিজের শিল্প সক্ষমতা বিনষ্ট হতে দেবে না।” তার মতে, অনেক দেশ নিজেদের অভ্যন্তরীণ চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি পণ্য উৎপাদন করে তা বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় উৎপাদনকারীদের অসম প্রতিযোগিতার মুখে ফেলছে। এই তদন্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শিল্প খাত পুনরুজ্জীবন’ নীতির একটি অংশ, যার লক্ষ্য হলো উৎপাদন ও কর্মসংস্থান যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে আগামী ১৭ মার্চ থেকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে তাদের লিখিত মতামত জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। যদি তদন্তে প্রমাণ হয় যে কোনো দেশের নীতি মার্কিন বাণিজ্যের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, তবে ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ওই দেশের পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপ বা অন্যান্য প্রতিক্রিয়ামূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

2

রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১৪ জনের প্রাণহানি

3

গুলিতে যুবদল ও ছাত্রদল নেতাসহ আহত ৩, ছিনতাইয়ের শিকার ১

4

মেজর মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে হবে, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

5

দুপুরের মধ্যে ৫ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

6

ম্যাচ কিংবা সিরিজ জয়ের পর বিসিবির বোনাসের রেওয়াজ আর থাকছে না

7

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের নতুন হামলা

8

পাঁচ দিন পর সারাদেশে কমবে তাপমাত্রা

9

নেপালে হিমবাহ ধস ও বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ দুই হাজারের বেশি

10

বিমানবন্দর যাত্রীর ব্যাগ থেকে মিলল আমেরিকার গৃহযুদ্ধের কামানের গোলা