দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Sep 7, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

নির্ধারিত সময়ে আপিল না করলে আইনি প্রতিকারের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

০ শেয়ার
নির্ধারিত সময়ে আপিল না করলে আইনি প্রতিকারের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর কোনো সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে আর আইনি প্রতিকার পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
  • তিনি বলেছেন, আইন সবার জন্য সমান; পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলে আপিল করার আর কোনো পথ খোলা থাকে না।
  • সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিলসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা জানান।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে আর আইনি প্রতিকার পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, আইন সবার জন্য সমান; পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলে আপিল করার আর কোনো পথ খোলা থাকে না।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিলসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন দেশত্যাগী থাকায় নির্ধারিত সময়ে আপিল করতে পারেননি। আমাদের আইনের ২১-এর ৩ ধারায় অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে যে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না গেলে সেটি আর গ্রহণযোগ্য হয় না, তা সে আসামি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন। শেখ হাসিনা বা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ সবার ক্ষেত্রেই এই বিধান সমানভাবে প্রযোজ্য।

তিনি আরও জানান, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এসব আইনি বিধান তুলে ধরা হয়। মূলত আপিল বিভাগ এখনও তার আপিলটি গ্রহণই করেননি এবং সেখানে কোনো বিচারাধীন কার্যধারা নেই। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছেন বলেই এ বিষয়ে আর কোনো পদক্ষেপ নেননি।

আদালতের রায়ের পর সরকারের এখতিয়ার সম্পর্কে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কেউ আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না। ফলে ট্রাইব্যুনালের রায় বাস্তবায়নের বাইরে বিকল্প থাকে না। তবে সংবিধানে বা আইনে যেকোনো সাজা স্থগিত করার ক্ষেত্রে সরকারের একটি অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা (Inherent Power) রয়েছে। সরকার চাইলে যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে কিংবা নাও করতে পারে, যা সম্পূর্ণ সরকারের নীতিগত এখতিয়ার।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

নিখোঁজের দুই দিন পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

2

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৩ জন

3

নেপালকে হারিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল নেদারল্যান্ডস

4

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একই পরিবারের ৫৫ জনের লাশ উদ্ধার

5

হাইতিতে রাতভর সশস্ত্র গ্যাংয়ের তাণ্ডব: কেন্সকফে প্রাণ হারাল ৪৭ জন

6

জনপ্রশাসনে বড় পদোন্নতি: যুগ্ম সচিব হলেন ১৭৯ কর্মকর্তা

7

এবার কিস্তি বা কেনার দিন শেষ! আইফোন ও ম্যাক লিজ দিতে আসছে অ্যাপলের নতুন প্রোগ্রাম

8

গ্যালারিতে বসে স্পেনের জয় দেখা: লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ফুটবল ডায়েরি

9

ব্রাজিলের বিদায়ে সতর্ক আর্জেন্টিনা, মিশরের বিপক্ষে লড়াইয়ের আগে বিশেষ বার্তা

10

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও কমল: নতুন দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা