দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার একক কোনো উৎসের ওপর নির্ভর না করে বিকল্প ও বহুমুখী জ্বালানি উৎস অনুসন্ধানে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ও দেশের ব্র্যান্ডিং নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেন, একটি নির্দিষ্ট জ্বালানি উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে বৈশ্বিক সংকট বা যুদ্ধাবস্থায় অর্থনীতিতে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই ঝুঁকি এড়াতেই জ্বালানি খাতে বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, এলএনজির নতুন উৎস এবং ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভবনকে ইতিমধ্যেই শতভাগ সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সরকারি দপ্তরেও এর পরিধি বাড়ানো হবে। এছাড়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীন ও জাপানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। অর্থনৈতিক কূটনীতিকে বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হয়রানি কমাতে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ ব্যবস্থার আদলে ডিজিটাল সেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিশ্বদরবারে তুলে ধরার বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে সরকার, যেখানে রোহিঙ্গা সংকটসহ বৈশ্বিক নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।
মন্তব্য করুন