জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের গ্লানি মুছে ফেলে এখন ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য বাংলাদেশের। হারারেতে গত ৫ জুলাই দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ সাংবাদিকদের জানান যে, টেস্টের দুঃসহ স্মৃতি এখন অতীত এবং পুরো দল এখন নতুন ফরম্যাটের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। ২৫ বছরের মধ্যে জিম্বাবুয়ের কাছে প্রথমবারের মতো ইনিংস ব্যবধানে হারার বিষয়টি মেনে নেওয়া কঠিন হলেও, মিরাজ আশাবাদী যে ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলবে। তার মতে, ফরম্যাট ভিন্ন হওয়ায় এই সিরিজে খেলার ধরনও হবে অন্যরকম এবং দল এখন সম্পূর্ণভাবে লক্ষ্য অর্জনে মনোনিবেশ করেছে।
এই ওয়ানডে সিরিজটি কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়, বরং ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবেও দেখছে বাংলাদেশ। যেহেতু আগামী বিশ্বকাপ জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে, তাই বর্তমান কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেওয়া এবং খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স যাচাই করার জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ বলে মনে করেন মিরাজ। গত কয়েকদিনের অনুশীলনে দলের ব্যাটার ও বোলাররা দারুণ কাজ করেছেন এবং কন্ডিশন সম্পর্কে ভালো ধারণা অর্জন করেছেন বলে জানান অধিনায়ক। প্রতিটি ম্যাচে ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখাই এখন দলের প্রধান চালিকাশক্তি।
জিম্বাবুয়ের মাটিতে তাদের মোকাবিলা করা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং, বিশেষ করে তাদের পরিচিত কন্ডিশনে তারা বেশ শক্তিশালী দল। মেহেদী হাসান মিরাজ মনে করেন, ওয়ানডে ম্যাচে ব্যাটিংয়ের শুরুটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রথম ১০ থেকে ১৫ ওভারের চ্যালেঞ্জ ভালোভাবে সামলাতে পারলে বড় স্কোরের ভিত গড়া সম্ভব হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক জুটি বা পার্টনারশিপ তৈরি করতে পারলে ম্যাচের মোমেন্টাম বাংলাদেশের দিকে থাকবে। জিম্বাবুয়ের দর্শকদের সমর্থন এবং স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের উৎসাহকে স্বাগত জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, উভয় দলই মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও সুন্দর একটি সিরিজ উপহার দেবে। টেস্ট হারের ধাক্কা কাটিয়ে বাংলাদেশ দল এখন ওয়ানডে ফরম্যাটে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন