দেশের রপ্তানি অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট কিছু খাতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব ও নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে দেশের রপ্তানি আয় বর্তমানে ৫০-৫৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের সব শর্ত পূরণ করেছে এবং এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা। এই লক্ষ্য অর্জনে শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি অভিযোজনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। চামড়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বহুমুখী পাটপণ্যসহ ৫-৭টি খাতকে এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কাঁচা পাট রপ্তানির চেয়ে পাটজাত পণ্য উৎপাদন ও ফ্যাব্রিক তৈরিতে আয়ের সুযোগ অনেক বেশি, যা নিয়ে চীনের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান জানান, রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, যা দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাতের কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন