ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সৌদি আরবে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশটির নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় নিজেদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র আল-আরাবিয়া ইংলিশকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরান-সমর্থিত হুথিদের এই আগ্রাসন এবং তাদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রিয়াদের পাশে থাকার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
ওয়াশিংটন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, সৌদি আরবের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর পেছনে থাকা তেহরানের মদদপুষ্ট গোষ্ঠীগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অগ্রাধিকার। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বর্তমান প্রশাসনের কৌশলগত অংশীদারত্বের অংশ হিসেবে সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। লোহিত সাগরে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা এবং ইয়েমেনে সক্রিয় ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম রোধ করাকে ওয়াশিংটন তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে।
ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই হুথিদের পুনরায় বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, যা অঞ্চলটিতে মার্কিন কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন। মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সৌদি আরবের সাথে চলমান এই কৌশলগত সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে বলে মুখপাত্র আশ্বস্ত করেন। এর মাধ্যমে ইয়েমেন সংকটে এবং ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলায় সৌদি আরবের প্রতি মার্কিন সমর্থনের বার্তাটি আবারও জোরালোভাবে ফুটে উঠল।
আমাদের আজকের আলোচনার মধ্যে আর কোন বিষয়ের উপর আপনার বিস্তারিত জানার আগ্রহ আছে?
মন্তব্য করুন