মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলার পর চরম নিরাপত্তা সংকটে পড়েছে ইরাক। দেশের এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বুধবার ‘মিনিস্টেরিয়াল কাউন্সিল ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি’-এর জরুরি সভা ডেকেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি ফালেহ আল-জাইদি। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী এবং সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে একাধিক হামলার জবাব হিসেবে বুধবার ভোরে ইরাকে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর এই যৌথ বিমান হামলা চালানো হয়। সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, গত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আইআরজিসির নির্দেশে অন্তত ৩০টি ড্রোন হামলার জবাবে ইরাকের পূর্বাঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর একাধিক অস্ত্রাগার ও রসদ কেন্দ্রে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া বসরা প্রদেশে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) সদর দপ্তরেও এই হামলায় পিএমএফের অন্তত দুইজন সদস্য আহত হয়েছেন।
এর আগে মার্কিন সেন্টকম মধ্যপ্রাচ্যে তাদের বাহিনীর ওপর ছোড়া ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিহত করার দাবি জানায় এবং সৌদি আরব জানায় যে ইরাক থেকে তাদের তেল অবকাঠামোয় ড্রোন পাঠানো হয়েছিল। যদিও তেহরান এসব হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এই সামরিক উত্তেজনার পর ইরাক সরকার জরুরি বৈঠকে বসেছে এবং বৈঠক শেষে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ও পরবর্তী পদক্ষেপ জানানো হবে বলে জানিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা সূত্র।
মন্তব্য করুন