আদালতের পূর্বের রায় অমান্য করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের প্রকৃতির বিরুদ্ধাচরণ ও বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণের অভিযোগে এর কার্যক্রম আট সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভুঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি আট সপ্তাহের জন্য মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ এবং বেলার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মিনহাজুল হক চৌধুরী, অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, এর আগে ২০১১ সালে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)-এর করা এক রিটের চূড়ান্ত রায়ে আদালত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা এবং বালিয়াড়িতে থাকা সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই রায় অনুযায়ী অতীতে দুই দফা স্থাপনা উচ্ছেদও করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি তা উপেক্ষা করে কক্সবাজার পৌরসভা কর্তৃক বালিয়াড়ির ভেতর দিয়ে নতুন সড়ক নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করায় জনস্বার্থে আদালত অবমাননার মামলা ও বেলার পক্ষ থেকে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। ওই শুনানির পর আদালত এই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ ও রুল জারি করেন।
মন্তব্য করুন