দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Sep 2, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম বিমানবন্দর: স্বর্ণ চোরাচালানের নিরাপদ রুট ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য

০ শেয়ার
চট্টগ্রাম বিমানবন্দর: স্বর্ণ চোরাচালানের নিরাপদ রুট ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য

যাত্রী থেকে শুরু করে নিরাপত্তা কর্মী ও বিমান সংস্থার কর্মীদের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্বর্ণ চোরাচালানের নিরাপদ রুটে পরিণত হয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • দেশের আকাশপথ ব্যবহার করে অবৈধভাবে স্বর্ণ আমদানির অন্যতম প্রধান ও নিরাপদ করিডোরে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
  • বিমানের সিট, টয়লেট, লাগেজ, চার্জার, জুতাসহ যাত্রীদের আন্ডারওয়্যার এমনকি পেটের ভেতর লুকিয়ে স্বর্ণ পাচারের নানা অভিনব কৌশল ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা।
  • সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি এই চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করছে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার কর্মী, বিমানবন্দর পরিচ্ছন্নতাকর্মী, মেকানিক, কাস্টমস, সিভিল এভিয়েশন, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং খোদ নিরাপত্তাকর্মীরাও।

দেশের আকাশপথ ব্যবহার করে অবৈধভাবে স্বর্ণ আমদানির অন্যতম প্রধান ও নিরাপদ করিডোরে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বিমানের সিট, টয়লেট, লাগেজ, চার্জার, জুতাসহ যাত্রীদের আন্ডারওয়্যার এমনকি পেটের ভেতর লুকিয়ে স্বর্ণ পাচারের নানা অভিনব কৌশল ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা। সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি এই চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করছে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার কর্মী, বিমানবন্দর পরিচ্ছন্নতাকর্মী, মেকানিক, কাস্টমস, সিভিল এভিয়েশন, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং খোদ নিরাপত্তাকর্মীরাও। মাঝে মাঝে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে কিছু চালান ধরা পড়লেও বেশিরভাগ স্বর্ণের চালানই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নিরাপদে বাইরে চলে যাচ্ছে।

চোরাচালানের এই রুট নিয়ে অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, নির্দিষ্ট দায়িত্ব না থাকলেও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের চোখের সামনেই দুবাইফেরত ফ্লাইটের যাত্রীদের কাছ থেকে সুকৌশলে স্বর্ণের প্যাকেট বুঝে নেন নিরাপত্তা প্রহরী নিজাম। পরবর্তীতে সেই প্যাকেট বিমানবন্দরের সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোসহ অন্যান্য সহযোগীদের মাধ্যমে বাইরে পাচার করা হয়। গত ১৯ জুলাই দুবাই থেকে আসা এমনই এক যাত্রী ওয়াহিদুল আলমের মাধ্যমে স্বর্ণের চালান বাইরে পাচারের প্রমাণ মিলেছে। যদিও এ ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত নিরাপত্তা প্রহরী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। ঘটনার পর অভিযুক্তদের টার্মিনালের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অন্য এলাকায় পদায়ন করা হলেও সিন্ডিকেটের মূল শেকড় বহাল রয়েছে। পতেঙ্গা থানা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সাল থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত গত আড়াই বছরে স্বর্ণ চোরাচালান সংক্রান্ত মামলায় মাত্র ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা এই বিশাল অপরাধ নেটওয়ার্কের তুলনায় খুবই নজিরবিহীন।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে ভারতের রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা

2

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় টাঙ্গাইলের প্রবাসী মোশারফ নিহত: শোকের ছায়া সখীপুরে

3

আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের করে নিল আফগানিস্তান

4

দিল্লির পর কলকাতার রাজপথে তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিল

5

রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী

6

সৌদি আরবের নাজরান বিমানবন্দরে হুথিদের ড্রোন হামলা

7

কারাগারের ভেতরে সুইমিং পুল ও দামি গাড়ি! ইন্দোনেশিয়ায় বরখাস্ত ৫ কারা কর্মকর্তা

8

কোরবানির চামড়ার বাজার ধস: সিন্ডিকেট নাকি ক্যাশ-ফ্লো সংকট

9

২০১০ সালের মতো সৌভাগ্যের আশায় বিশ্বকাপের ফাইনালে মাঠে কেন মুদ্রা পুঁতে রেখেছিলেন স্পেনের কুকুরেয়া?

10

Brazil vs Morocco 2026 লাইভ ম্যাচ প্রেডিকশন ও একাদশ ২০২৬