ইরানের সঙ্গে সংকট নিরসনে কূটনৈতিক আলোচনার দরজা এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে একই সঙ্গে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘন এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টির তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন এই শীর্ষ কূটনীতিক এসব কথা বলেন।
মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই কূটনৈতিক উপায়ে যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে প্রস্তুত। ইরানের সঙ্গে অতীতেও একাধিকবার আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। যদি আলোচনার সেই পরিবেশ তৈরি হয়, তবে ওয়াশিংটন অবশ্যই তা স্বাগত জানাবে বলে জানান তিনি।
চলতি বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বা এমওইউর প্রসঙ্গ টেনে রুবিও বলেন, যুদ্ধবিরতি শক্তিশালী করা এবং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখাই ছিল ওই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু তেহরান ধারাবাহিকভাবে সেই শর্ত ভঙ্গ করছে। একদিকে আলোচনার কথা বললেও অন্যদিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে পরিস্থিতি জটিল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে তার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সিএনএনের এক প্রশ্নের জবাবে মার্কো রুবিও স্পষ্ট ভাষায় জানান, কূটনীতি ব্যর্থ হলে তার সবচেয়ে বড় চড়া মূল্য পরিশোধ করতে হবে ইরানকে। দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তা তেহরানের জন্য কোনোভাবেই মঙ্গলজনক হবে না।
মন্তব্য করুন