সামনে পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের জন্য অপেক্ষা করছে পরপর দুটি বড় আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ— নারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমস। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চের জন্য ১৫ সদস্যের শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ঘোষিত উভয় স্কোয়াডেই জাতীয় দলের নিয়মিত অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার ফাতিমা সানা নেতৃত্ব ফিরে পেয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাকে পাওয়া যায়নি, কারণ তিনি ইংল্যান্ডের ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টে বার্মিংহাম ফিনিক্সের হয়ে খেলছিলেন। তবে আসন্ন দুই বড় টুর্নামেন্টের জন্য তিনি সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে দলের অধিনায়কত্ব গ্রহণ করেছেন।
আসন্ন নারী এশিয়া কাপ শুরু হবে আগামী ২৮ আগস্ট এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে। আট দলের এই প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান ‘এ’ গ্রুপে স্থান পেয়েছে, যেখানে তাদের সঙ্গী চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত, থাইল্যান্ড ও হংকং চীন। অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এশিয়া কাপ শেষেই পাকিস্তান দল ২০তম এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটে অংশ নিতে নামবে। এশিয়ান গেমসে পাকিস্তান ও থাইল্যান্ডকে একই সিডিংয়ে রাখা হয়েছে, ফলে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে পাকিস্তান। এই টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ জাপানের আইচির কোরোগি অ্যাথলেটিক পার্কে অনুষ্ঠিত হবে। সেমিফাইনালে উন্নীত হতে পারলে ২০ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা অথবা মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হতে হবে পাকিস্তানকে, আর ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে পদক নির্ধারণী ম্যাচগুলো।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ঘোষণা অনুযায়ী, এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের দুটি স্কোয়াডেই যৌথভাবে জায়গা পেয়েছেন ১২ জন ক্রিকেটার। এই খেলোয়াড়েরা হলেন— অধিনায়ক ফাতিমা সানা, মুনিবা আলী সিদ্দিকী, শাওয়াল জুলফিকার, আয়েশা জাফর, গুল ফেরোজা, সাইরা জাবিন, আইমান ফাতিমা, ইমান নাসির, উম্মে-হানি, তুবা হাসান, নাশরা সান্ধু ও মোমিনা রিয়াসাত। এছাড়া শুধু এশিয়া কাপের দলে সুযোগ পেয়েছেন নাজিহা আলভি, ওয়াহিদা আখতার ও সাদিয়া ইকবাল। অন্যদিকে, শুধুমাত্র এশিয়ান গেমসের স্কোয়াডে রাখা হয়েছে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার আলিয়া রিয়াজ, তাসমিয়া রুবাব ও হুমনা বিলালকে।
মন্তব্য করুন