সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জোরালো দাবি এবং দুই দেশের মধ্যকার নানা ইস্যুতে চলমান মতপার্থক্যের মধ্যেই ঢাকার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কূটনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ভারত এখন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘পারস্পরিকতা’ বা ‘রেসিপ্রোসিটি’র ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছে। কূটনৈতিক মহলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই নতুন অবস্থানকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভারতের অনলাইন সংবাদমাধ্যম
এদিকে, ভারতের পক্ষ থেকে পারস্পরিকতার এই নতুন বার্তা এমন এক সময়ে এল যখন দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অনেকটাই রাজনৈতিক পর্যায়ের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ওপর নির্ভর করছে। ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফর এবং আগামী মাসের ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হলেও, শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রত্যর্পণ ইস্যু এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে সেই সফর নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের কূটনৈতিক সমঝোতার জায়গা ক্রমান্বয়ে সংকুচিত হয়ে আসলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সমান অধিকারের ভিত্তিতে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে উভয় দেশের জন্যই এখন কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন