২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা মতোই ঘটতে যাচ্ছে এক দারুণ লড়াই। এবারের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে শক্তিশালী ফ্রান্স ও বিস্ময়কর ফর্মে থাকা মরক্কো। মাঠের লড়াই যতটা না দলের, তার চেয়ে বেশি ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দুই বন্ধু কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আশরাফ হাকিমির ব্যক্তিগত দ্বৈরথ। পিএসজিতে একসঙ্গে খেলার সুবাদে তাদের বন্ধুত্ব অনেক গভীর, কিন্তু মাঠের খেলায় তারা যে একে অপরের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, তা আবারও প্রমাণিত হতে যাচ্ছে ১০ জুলাইয়ের এই ম্যাচে।
মরক্কো এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে কানাডাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে ফ্রান্স প্যারাগুয়ের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে। আগের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে এমবাপ্পের ফ্রান্স ২-০ গোলের জয় পেয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল। সেই ম্যাচে হাকিমিকে এমবাপ্পের বিরুদ্ধে লড়াই করার কঠিন দায়িত্ব পালন করতে হয়েছিল। এবার কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে সেই একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে, যেখানে দুই বন্ধু আবারও একে অপরের মুখোমুখি হবেন নিজেদের দেশের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে।
কাতার বিশ্বকাপের সেই রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনালের পর এই দুই দল আবারও বড় আসরে একে অপরের মুখোমুখি হচ্ছে। গতবারের সেই ম্যাচে দুই দলই সমান আধিপত্য দেখিয়েছিল এবং আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা জমে উঠেছিল। সেবার ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে হাকিমিকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং হাকিমিও এক টুইট বার্তায় লিখেছিলেন তাদের আবারও দেখা হবে। এবার সেই দেখা হওয়ার ক্ষণটি এগিয়ে এসেছে। তবে এবার প্রেক্ষাপট ভিন্ন এবং লড়াইটা আরও কঠিন। ফ্রান্সের আক্রমণভাগ বনাম মরক্কোর অটল রক্ষণভাগের এই লড়াইয়ে দুই বন্ধু কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষায় আছেন কোটি ফুটবল ভক্ত।
এমবাপ্পের গতি এবং হাকিমির ট্যাকটিক্যাল ডিফেন্ডিং এই দুই বন্ধুর লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী কে হবে বলে আপনি মনে করেন? আপনার মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
মন্তব্য করুন