টম হল্যান্ড অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ সিনেমাটি দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলেছে। ডেসটিন ড্যানিয়েল ক্রেটন পরিচালিত এই ছবিটি মূলত পিটার পার্কারের ব্যক্তিগত সংগ্রাম, একাকীত্ব এবং আবেগঘন জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে (MCU) এই প্রথম পিটার পার্কার সম্পূর্ণ একা এবং নীরবে কষ্ট সহ্য করছেন; যেখানে সবাই তাকে ভুলে গেছে এবং তার একমাত্র ভরসা নিউ ইয়র্ক সিটির সাধারণ মানুষ। ছবিটিতে পিটার পার্কারের চরিত্রে টম হল্যান্ডের অনবদ্য অভিনয় এবং তার চারপাশের গল্প দর্শকদের গভীরভাবে স্পর্শ করে।
ছবিটির মূল প্লটে দেখা যায়, একটি রহস্যময় টেলিপ্যাথিক সুপারভিলেন ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ সংস্থাকে টার্গেট করে এবং ‘ভি-ম্যাক্স’ নামক এক রহস্যের সন্ধানে বডি-সোয়াপ করতে থাকে। যদিও ভিলেনের কিছু পরিকল্পনা কিছুটা অবাস্তব মনে হতে পারে, তবুও গল্প বলার ভঙ্গি ও চরিত্রের গভীরতা সেই ত্রুটিগুলো ঢেকে দেয়। বিশেষ করে, জন বার্নথালের অভিনয়ে ‘পানিশার’-এর এন্ট্রি এবং টম হল্যান্ডের সঙ্গে তার রসায়ন ছবিটিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। এছাড়াও জেন্ডায়া ও জ্যাকব বেটালের উপস্থিতি এবং নতুন মুখ হিসেবে সাদি সিঙ্কের আগমন ছবিটির আকর্ষণকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সব মিলিয়ে, অতিমানবীয় লড়াইয়ের পাশাপাশি মানুষের ভেতরের ভাঙা মন ও আবেগকে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এটি মার্ভেল ফ্র্যাঞ্চাইজির অন্যতম সেরা একটি কাজ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।
মন্তব্য করুন