দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 19, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বকাপজয়ী দলকে কেন আসল ট্রফির বদলে নকল ট্রফি দেওয়া হয়?

০ শেয়ার
বিশ্বকাপজয়ী দলকে কেন আসল ট্রফির বদলে নকল ট্রফি দেওয়া হয়?

বিশ্বকাপ জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন দল আসল ট্রফি পায় না কেন? জুল রিমে ট্রফির চুরি ও ফিফার ট্রফি সংরক্ষণের ইতিহাসসহ কেন রেপ্লিকা ট্রফি দেওয়া হয়, তার বিস্তারিত এখানে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ফুটবল বিশ্বকাপের মহারণ শেষে যখন চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়, তখন ফুটবলপ্রেমীদের মনে একটি প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই উঁকি দেয় এই মূল্যবান ট্রফিটি কি জয়ী দল স্থায়ীভাবে নিজেদের কাছে রাখতে পারে? এর সহজ উত্তর হলো, না।
  • বিশ্বকাপজয়ী দলগুলো আসল ট্রফিটি স্থায়ীভাবে রাখার সুযোগ পায় না।
  • ফাইনালে মাঠের উদযাপনে আসল ট্রফিটি ব্যবহার করা হলেও, আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরপরই তা ফিফার কাছে ফিরিয়ে দিতে হয়।

ফুটবল বিশ্বকাপের মহারণ শেষে যখন চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়, তখন ফুটবলপ্রেমীদের মনে একটি প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই উঁকি দেয় এই মূল্যবান ট্রফিটি কি জয়ী দল স্থায়ীভাবে নিজেদের কাছে রাখতে পারে? এর সহজ উত্তর হলো, না। বিশ্বকাপজয়ী দলগুলো আসল ট্রফিটি স্থায়ীভাবে রাখার সুযোগ পায় না। ফাইনালে মাঠের উদযাপনে আসল ট্রফিটি ব্যবহার করা হলেও, আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরপরই তা ফিফার কাছে ফিরিয়ে দিতে হয়।

এর পেছনে প্রধান কারণ হলো ট্রফির নিরাপত্তা এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব। বর্তমান বিশ্বকাপ ট্রফিটি ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে নির্মিত, যার ওজন ৬.২ কেজি এবং এটি অত্যন্ত মূল্যবান। আসল ট্রফিটি সারা বছর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত ফিফা মিউজিয়ামে কড়া নিরাপত্তায় সংরক্ষিত থাকে। কেবলমাত্র বিশেষ প্রদর্শনী, ট্রফি ট্যুর কিংবা বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে এটি জনসমক্ষে আনা হয়। চ্যাম্পিয়ন দলকে এর পরিবর্তে বিজয়ী দেশের নাম খোদাই করা সোনার প্রলেপযুক্ত ব্রোঞ্জ-অ্যালয়ের একটি নিখুঁত প্রতিরূপ বা রেপ্লিকা ট্রফি দেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আগের ‘জুল রিমে ট্রফি’ ব্যবহারের সময় নিয়ম ছিল কোনো দেশ তিনবার বিশ্বকাপ জিতলে তারা ট্রফিটি স্থায়ীভাবে নিজেদের কাছে রাখার অধিকার পেত। ১৯৭০ সালে ব্রাজিল এই সম্মান অর্জন করে। কিন্তু ট্রফিটির নিরাপত্তা নিয়ে ছিল বড় শঙ্কা। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনী চলাকালীন এটি একবার চুরি হয়েছিল এবং পরবর্তীতে একটি কুকুর সেটি খুঁজে পায়। দুঃখজনকভাবে, ১৯৮৩ সালে ব্রাজিল থেকে ট্রফিটি দ্বিতীয়বার চুরি হওয়ার পর আর কখনোই উদ্ধার করা যায়নি; ধারণা করা হয়, চোরেরা সেটি গলিয়ে ফেলেছিল।

সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার পর থেকেই ফিফা ট্রফির নিরাপত্তা নিয়ে আরও কঠোর অবস্থান নেয়। ১৯৭৪ সালে ইতালীয় ভাস্কর সিলভিও গাজ্জানিগার নকশায় তৈরি বর্তমান ট্রফিটি প্রবর্তনের পর থেকে আর কোনো দেশকেই এটি স্থায়ীভাবে রাখার সুযোগ দেওয়া হয়নি। বর্তমান ট্রফির গায়ে প্রতিটি বিশ্বকাপজয়ী দেশের নাম খোদাই করা থাকে। এবারের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যে যে দলই জিতুক না কেন, তারা সাময়িকভাবে আসল ট্রফি হাতে উদযাপনের অবিস্মরণীয় মুহূর্তটি উপভোগ করতে পারবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সোনালি প্রতীকটি ফিরে যাবে ফিফার জাদুঘরেই।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

নিষিদ্ধ দলের অস্থিতিশীলতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে ডিএমপি

2

আসন্ন শ্রীলঙ্কা সিরিজ ও ক্রিকেট সূচি ২০২৬: ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা টেস্ট ম্যাচ

3

ভোজ্যতেল ও ডাল কেনার অনুমোদন

4

রাজশাহীতে শুরু হয়েছে টিসিবির জুলাই মাসের পণ্য বিক্রি

5

সুন্দরবনে কোস্টগার্ড স্টেশনে দুর্বৃত্তদের হামলা

6

গ্রিজম্যানের জাদুকরী পারফরম্যান্সে ডিসি ইউনাইটেডকে উড়িয়ে দিল অরল্যান্ডো সিটি

7

ইরানের পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনে আইএইএ

8

এনআইডিসহ সকল পরিচর্যা এক কার্ডে: আসছে বহুমুখী ‘এক-আইডি’ ব্যবস্থা

9

৪৫ বছর পলাতক থাকার পর ধরা পড়লেন জিয়াউর রহমানের খুনি মেজর মোজাফফর

10

দলবদলের বাজারে চমক: রিয়াল মাদ্রিদের লক্ষ্য রদ্রি, লিভারপুলের এগিয়ে থাকা বারকোলা ডিলে