অর্থনীতির জটিল সমীকরণ, সংকট ও সম্ভাবনার খবরের বাইরে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেও দেশ-বিদেশে খ্যাতি কুড়িয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মোহাম্মদ ফারুক আহাম্মদ, যিনি লেখালেখিতে ফারুক মেহেদী নামেই সমধিক পরিচিত। বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম ও হাসন রাজার জীবন এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী দম্পতির সংগ্রাম নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের পর এবার তিনি মহাত্মা গান্ধীর বাংলাদেশ অবস্থান ও অহিংস আন্দোলন নিয়ে নির্মাণ করেছেন নতুন প্রামাণ্যচিত্র ‘শান্তির অগ্রদূত’।
দীর্ঘদিন ধরে হার্ড রিপোর্টিং ও অর্থনীতির রূপান্তর নিয়ে কাজ করা ফারুক মেহেদী পেশাগত সাংবাদিকতার পাশাপাশি সৃজনশীল কাজেও সমানভাবে সক্রিয়। তাঁর এবারের কাজের মূল বিষয়বস্তু ১৯৪৬ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় মহাত্মা গান্ধীর নোয়াখালী সফর এবং গ্রামে গ্রামে ঘুরে তাঁর অহিংস ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা প্রচার। এর আগে শাহ আবদুল করিমের জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত তাঁর ‘শিকড়’ প্রামাণ্যচিত্রটির মূল সুরও ছিল অসাম্প্রদায়িক চেতনা। বর্তমান বিশ্বজুড়ে পরাশক্তিগুলোর যুদ্ধংদেহী মনোভাব এবং দেশের ভেতরে ধর্মের নাম ব্যবহার করে স্বার্থান্বেষী মহলের অসাম্প্রদায়িক চেতনা নষ্ট করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে শান্তি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাতা ফারুক মেহেদী বিশ্বাস করেন, ‘শান্তির অগ্রদূত’ প্রামাণ্যচিত্রটি সব ধর্ম, বর্ণ ও পেশার মানুষের মাঝে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন