|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Oct 14, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সংঘাতের মধ্যে ইয়েমেনে হু হু করে বাড়ছে কলেরার প্রকোপ

ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে কলেরার প্রাদুর্ভাব। যুদ্ধ ও সহিংসতার কারণে লাখ লাখ মানুষ নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। বর্তমানে অস্বাস্থ্যকর ও গাদাগাদি করে তৈরি করা বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এর ফলে বাস্তুচ্যুত এসব মানুষের মধ্যে কলেরার মতো প্রতিরোধযোগ্য ও মারাত্মক রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

সংস্থাটির প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইয়েমেনে গত মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে কলেরায় আক্রান্তের সন্দেহভাজন ঘটনা প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে গত সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ২১৭ জন, সেখানে সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুর সপ্তাহে সেই সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৭টিতে। চলমান এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক জরুরি কার্যক্রমের পরিচালক অ্যানেট হেইনজেলম্যান গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন যে, সংঘাতের ভয়াবহতা থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসা পরিবারগুলো এখন চিকিৎসাযোগ্য ও প্রতিরোধযোগ্য রোগের নতুন হুমকির মুখে পতিত হয়েছে।

চলতি বছর জুড়ে ইয়েমেনে এখন পর্যন্ত কলেরায় আক্রান্ত হওয়ার আট হাজারেরও বেশি সন্দেহভাজন ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৭ জন। সংঘাতের শিকার হওয়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আবিয়ান, লাহিজ, আল-দালেয়া, তাইজ এবং এডেন এই পাঁচটি গভর্নরেটেই মোট সংক্রমণের প্রায় ৯২ শতাংশ সীমাবদ্ধ রয়েছে। এছাড়া পূর্বাঞ্চলের হাদরামাউতের দুর্গম কিছু এলাকায় অবস্থিত আশ্রয়শিবিরগুলোতেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে চিকিৎসাকর্মীদের নিয়মিত যাতায়াত ও সেবা দেওয়া অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ পানির চরম অভাব, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং জরুরি চিকিৎসা সেবায় বাধার কারণে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে। এই ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় রোধ করতে ডব্লিউএইচও আগামী ৯০ দিনের জন্য তিন কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের জরুরি তহবিল সহায়তা চেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত অর্থের মাত্র একটি অংশ পাওয়া গেছে। পর্যাপ্ত অর্থায়ন, সুপেয় পানির সরবরাহ এবং টিকাদান কর্মসূচি নিশ্চিত করা না গেলে ইয়েমেনের আগে থেকেই ভঙ্গুর থাকা স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

লিগস কাপে মুখোমুখি টলুকা এফসি ও এলএএফসি: মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে

1

জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অত্যন্ত সার্থক হয়েছে

2

জার্মানির গাড়ির বাজারে চীনা ও বিদেশি নির্মাতাদের দাপট: বৈদ্য

3

রামগঞ্জে যুবদল নেতার বাড়িতে গুলিবর্ষণ, ভিডিও ভাইরাল

4

ফাঁসির দণ্ড মাথায় নিয়ে কনডেম সেলে দিন কাটছে মিন্নির

5

১৭ জেলায় ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে ১ নম্বর সত

6

গোপালগঞ্জে বাস ও বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আ

7

নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়ে চমকে গেলেন নাভি পিল্লাই

8

চলতি বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা রয়ে

9

সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষায় ‘শিক্ষক সুরক্ষা আইন’ চালুর দাবি শ

10

রামিসা হত্যা: আসামিদের জেল আপিল গ্রহণ

11

দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ: সহিংসতা ও লুটপাটের ঘ

12

ব্রয়লার ১৮৫ টাকা হলেও ডজনে ১০ টাকা বাড়ল ডিমের দাম, চড়া মাছের

13

আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম কমলেও বেড়েছে স্বর্ণ, প্লাটিনাম

14

বিশ্ববাজারে টানা ৭ দিন ধরে কমছে জ্বালানি তেলের দাম

15

প্রশ্নফাঁসে যুব উন্নয়নের পরীক্ষা স্থগিত, রাজধানীতে শিক্ষার্

16

গোরনিক জাবজে বনাম সালজবার্গ: প্রীতি ম্যাচটি বিনামূল্যে কোথায়

17

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দীর্ঘতম ম্যাচ: ফ্রান্স-ইরাক লড়াইয়ে ২ ঘণ্ট

18

গাড়ি বিক্রেতা থেকে বেলজিয়ামের রাজপুত্র হিসেবে স্বীকৃতি পেলে

19

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু

20