দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 13, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা: বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বর্তমান পরিস্থিতি

০ শেয়ার
হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা: বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বর্তমান পরিস্থিতি

হরমুজ প্রণালি ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা। বাংলাদেশে বর্তমানে ৩৪ দিনের তেলের মজুত থাকলেও, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা ও ভর্তুকির চাপ নিয়ে চিন্তিত সরকার। বিস্তারিত পড়ুন প্রতিবেদনে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবে বাংলাদেশও নতুন করে উদ্বেগের মুখে পড়েছে।
  • আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও এলএনজির দাম বৃদ্ধি পেলে সরকারের ওপর আমদানি ব্যয় ও ভর্তুকির বিশাল চাপ পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
  • তবে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৪ দিনের জ্বালানি তেল এবং ৪০ দিনের অকটেন মজুত রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবে বাংলাদেশও নতুন করে উদ্বেগের মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও এলএনজির দাম বৃদ্ধি পেলে সরকারের ওপর আমদানি ব্যয় ও ভর্তুকির বিশাল চাপ পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৪ দিনের জ্বালানি তেল এবং ৪০ দিনের অকটেন মজুত রয়েছে।

সরকারের তথ্যমতে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানিতে সরকারকে ৩১ হাজার কোটি টাকার বেশি লোকসান গুনতে হয়েছে। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে এই লোকসানের বোঝা আরও ভারী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার জি-টু-জি (সরকার টু সরকার) প্রক্রিয়ায় ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৬ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে। এই প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত দরপত্রের তুলনায় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করছে বিপিসি।

অন্যদিকে, এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রেও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় এখন স্পট মার্কেট থেকেই এলএনজি কিনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের কারণে মার্চের দিকে প্রতি ইউনিট এলএনজি ২৮ ডলারে কিনতে হলেও, বর্তমানে তা ১৬ থেকে ১৭ ডলারে নেমে এসেছে। তবে হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, গত চার মাসে সরকার ভর্তুকি বাবদ কোনো অর্থ ছাড় করেনি, যার ফলে বিপিসি তাদের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা ব্যয় করেই তেল আমদানি চালিয়ে যাচ্ছে। তবে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, গত মার্চের তিক্ত অভিজ্ঞতার শিক্ষা নিয়ে এবার আগেভাগেই ডিপোগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে এবং আমদানি সূচি অনুযায়ী জাহাজ আসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সব মিলিয়ে সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি থাকলেও, বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ওপর কতটা চাপ সৃষ্টি করবে, তা এখন সময়ের অপেক্ষা।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

হবিগঞ্জের জান্নাতুলের উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণ, পেলেন ৭৪ লাখ টাকার বৃত্তি

2

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিয়ানমার বিষয়ক জাপানের বিশেষ দূত ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সাক্ষাৎ

3

ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার ডুবল

4

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ: ইয়াবার আন্তর্জাতিক হাট ও সীমান্ত চোরাচালানের রাজত্ব

5

আর্জেন্টিনার কোনো দুর্বলতা নেই: অস্ট্রিয়া কোচ

6

‘এই ব্রাজিল সেই ব্রাজিল নয়, কিন্তু তারপরও ব্রাজিলই’

7

ঢাকা মেডিকেলে রোগী ও স্বজনদের জন্য বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপন করল আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন

8

খুবির কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে টিকটিকি পাওয়ার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

9

ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী: আবেদন প্রক্রিয়া, যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

10

ট্রুম্যান থেকে ট্রাম্প: ইসরাইল লবির চাপে মার্কিন প্রেসিডেন্টরা