আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সার্বিক নির্বাচনী প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইউনেস্কোর সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য জানান।
ইসি সচিব বলেন, এসএসসি পরীক্ষা, পবিত্র রমজান মাস এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসসহ স্থানীয় সামাজিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি বাস্তবসম্মত ও সুসংহত রোডম্যাপ তৈরির কাজ চলছে। এছাড়া জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) ‘ব্যালট’ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচন কর্মকর্তা, পুলিশ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অপতথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য (হেইট স্পিচ) প্রতিরোধ বিষয়ক একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর প্রাথমিক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। বিগত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় জনগণের প্রত্যাশার যে উচ্চ মানদণ্ড তৈরি হয়েছে, তা বজায় রাখতে কমিশন বদ্ধপরিকর। অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থে স্থানীয় পরিবেশ ও বাস্তবতার আলোকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন বা প্রয়োজন সাপেক্ষে যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে কমিশন পিছপা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন ইসি সচিব।
মন্তব্য করুন