দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ট্রুম্যান থেকে ট্রাম্প: ইসরাইল লবির চাপে মার্কিন প্রেসিডেন্টরা

০ শেয়ার
ট্রুম্যান থেকে ট্রাম্প: ইসরাইল লবির চাপে মার্কিন প্রেসিডেন্টরা

১৯৪৮ সাল থেকে বর্তমান ডোনাল্ড ট্রাম্প পর্যন্ত প্রায় সব মার্কিন প্রেসিডেন্টই ইসরাইলপন্থি লবির রাজনৈতিক চাপের মুখে জাতীয় স্বার্থের চেয়েও তাদের দাবি মেনে নিয়েছেন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যনীতি নিয়ে নতুন এক গবেষণাভিত্তিক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে,১৯৪৮ সালে প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যানের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পর্যন্ত প্রায় সব মার্কিন প্রেসিডেন্টই কোনো না কোনো পর্যায়ে ইসরাইলপন্থি লবির রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন।
  • দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এর ফলে বহু ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত জাতীয় স্বার্থের চেয়ে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপই পররাষ্ট্রনীতিকে বেশি প্রভাবিত করেছে।
  • প্রতিবেদনে ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ করে বলা হয়, ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনে যুদ্ধ চলাকালে ট্রুম্যানকে সামরিক ও কূটনৈতিক কর্মকর্তারা সতর্ক করলেও নির্বাচনি বাস্তবতা বিবেচনা করে তিনি ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যনীতি নিয়ে নতুন এক গবেষণাভিত্তিক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে,১৯৪৮ সালে প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যানের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পর্যন্ত প্রায় সব মার্কিন প্রেসিডেন্টই কোনো না কোনো পর্যায়ে ইসরাইলপন্থি লবির রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন। দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এর ফলে বহু ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত জাতীয় স্বার্থের চেয়ে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপই পররাষ্ট্রনীতিকে বেশি প্রভাবিত করেছে।

প্রতিবেদনে ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ করে বলা হয়, ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনে যুদ্ধ চলাকালে ট্রুম্যানকে সামরিক ও কূটনৈতিক কর্মকর্তারা সতর্ক করলেও নির্বাচনি বাস্তবতা বিবেচনা করে তিনি ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেন। একইভাবে ১৯৭০-এর দশকে প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ড এবং হেনরি কিসিঞ্জার মধ্যপ্রাচ্য নীতির পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নিলেও আমেরিকান-ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (AIPAC) ও ৭৬ জন সিনেটরের ব্যাপক রাজনৈতিক চাপে শেষ পর্যন্ত সেই সুপারিশ প্রত্যাখ্যান করেন। এছাড়া প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার, জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ, বারাক ওবামা এবং জো বাইডেনও বিভিন্ন সময়ে ইসরাইলি বসতি নির্মাণ কিংবা সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে শক্তিশালী লবির বিরোধিতার মুখে নিজেদের শক্ত অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

গাজায় সংঘটিত সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলকে ঘিরে জনমতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেছেন লেখকরা। বর্তমানে প্রায় ৬০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইসরাইল সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন এবং কংগ্রেসের প্রাইমারি নির্বাচনে ইসরাইলের সমালোচক প্রার্থীরা আগের তুলনায় বেশি সফল হচ্ছেন। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভোটারদের মধ্যেও এর বড় রাজনৈতিক প্রভাব পড়েছে। তবে জনমতের এই পরিবর্তন সত্ত্বেও ইসরাইলপন্থি লবির প্রভাব কমেনি এবং তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য-সংক্রান্ত নীতিকে প্রভাবিত করতে এখনও সক্রিয় রয়েছে। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, ভিন্নমতের মানুষ যদি ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ তকমার ভয়ে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে না পারেন, তবে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ভবিষ্যতেও ভারসাম্যহীন থেকে যাবে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

‘নির্বাচনী জয় নিয়ে আমি খুবই চিন্তিত’: খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

2

গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের ‘উল্লাস ২০২৬’ ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট শুরু ৩০ অক্টোবর

3

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যর্থতা ঢাকতে অন্যদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন ট্রাম্প: অধ্যাপক রবার্ট কেলি

4

ক্রিকেটের নতুন নিয়ম প্রকাশ আইসিসির: বল, সময় নষ্ট ও রানআউট নিয়মে বড় পরিবর্তন

5

আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উঠছে আজ

6

মাত্র ২০ দিনে এশিয়া থেকে ইউরোপে যাবে জাহাজ: আর্কটিক রুট চালুর ঘোষণা চীনা কোম্পানির

7

২৫ এপ্রিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রগুলোর জন্য কঠোর নির্দেশনা

8

কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইন মেরামতের সময় বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৩ শ্রমিক

9

রেল ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, পাবেন যারা

10

পুতিনের বিলাসবহুল প্রাসাদের সুরক্ষায় থাকা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি ইউক্রেনের