দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের একটি কার্যদিবসে সূচকের উল্লেখযোগ্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। দুই বাজারেই সকালের লেনদেন থেকেই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত ছিল, যা দিনশেষে বাজারকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যায়। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় প্রধান এক্সচেঞ্জগুলোতে লেনদেনের গতিও বেশ সন্তোষজনক ছিল।
দুপুর পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫৫ পয়েন্ট বা প্রায় এক শতাংশ বেড়ে ৫,৫৯৫ পয়েন্টের কাছাকাছি অবস্থান করে। এছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক এবং বাছাই করা ভালো কোম্পানিগুলোর ব্লু-চিপ সূচক ডিএসই-৩০ ও বেশ কিছুটা পয়েন্ট অর্জন করেছে। ওই সময়ে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ চারশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়, যেখানে কোটি কোটি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের হাতবদল হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রাথমিক এক্সচেঞ্জে ক্রেতাদের আধিক্য থাকায় বাজারের টার্নওভার বা প্রশস্ততা ছিল বেশ ইতিবাচক। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ার বিপরীতে কমেছে তুলনামূলক কম সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। ওইদিন বাজারে ডমিনিক স্টিল, ওরিয়ন ইনফিউশন, প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, খান ব্রাদার্স, শাইনপুকুর সিরামিকস, শার্প ইন্ডাস্ট্রি, এবং একমি ল্যাবরেটরিজের মতো সক্রিয় শেয়ারগুলোর লেনদেন শীর্ষে ছিল।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। সিএসইর সার্বিক সূচক ক্যাস্পি আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট বেড়ে লেনদেন হতে দেখা যায়। সেখানেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনে ভালো গতি বজায় ছিল, যা সামগ্রিক পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করেছ
মন্তব্য করুন