দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Oct 28, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

খুলনায় বেপরোয়া অপরাধী গোষ্ঠী, ১০ মাসে ৭১ হত্যা ও অগণিত সশস্ত্র হামলা

০ শেয়ার
খুলনায় বেপরোয়া অপরাধী গোষ্ঠী, ১০ মাসে ৭১ হত্যা ও অগণিত সশস্ত্র হামলা

খুলনা মহানগর ও জেলাজুড়ে গত ১০ মাসে প্রায় ৭১টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মাদক ব্যবসা, চাঁদা আদায় ও বি-কোম্পানিসহ বিভিন্ন অপরাধী চক্রের আধিপত্য বিস্তারের জেরে একের পর এক গুলি ও সশস্ত্র হামলায় খুলনা জুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • খুলনায় থামছেই না সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীদের তাণ্ডব।
  • ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিন তিনটি গুলির ঘটনা এবং যুবদলের দুই নেতাসহ একাধিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর অঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
  • পুলিশের অভিযানের পরও খুন, ছিনতাই ও চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনায় বেপরোয়াভাবে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।

খুলনায় থামছেই না সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীদের তাণ্ডব। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিন তিনটি গুলির ঘটনা এবং যুবদলের দুই নেতাসহ একাধিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর অঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশের অভিযানের পরও খুন, ছিনতাই ও চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনায় বেপরোয়াভাবে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশের দাপ্তরিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত গত ১০ মাসে খুলনা মহানগর ও জেলা মিলে অন্তত ৭১ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় মোট ৬৯টি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, অর্থাৎ গড়ে প্রতি চার দিনে একটি করে মার্ডার কেস নথিভুক্ত হচ্ছে। ২০২১ সাল থেকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) ও জেলা পুলিশের আওতায় এটিই সর্বোচ্চ হত্যাকাণ্ডের হার। মহানগরীর সদর থানা (৮টি) এবং জেলার রূপসা থানায় (১২টি) সবচেয়ে বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত পেরিয়ে আসা অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতা এবং এলাকাভিত্তিক অপরাধী চক্রগুলোর মুখোমুখি অবস্থানই এই সহিংসতার মূল কারণ। খুলনায় মাদক ব্যবসা, বালু-মাছের ঘের দখল এবং চাঁদাবাজির বাজার নিয়ন্ত্রণে ‘গ্রেনেড বাবুর বি-কোম্পানি’, ‘নূর আজিম গ্রুপ’, ‘আশিক বাহিনী’ ও ‘টেংকি শাওন গ্রুপ’-এর মতো সন্ত্রাসী গ্যাংগুলো সক্রিয় রয়েছে। বিশেষ করে ‘বি-কোম্পানি’র প্রায় ৮ শতাধিক সদস্য খুলনা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভাড়াটে খুনি ও দখলদার হিসেবে অপকর্ম পরিচালনা করছে বলে নিশ্চিত করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

চলতি বছরে কেএমপি ও জেলা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোট ৭৬টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৮৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের তালিকায় ৩০টি বিদেশি পিস্তল ও ৭টি রিভলবার রয়েছে, যার বেশিরভাগই সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান হয়ে আসা বলে অনুমান গোয়েন্দাদের।

খুলনা সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সহ-সভাপতি গৌরাঙ্গ নন্দীর মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও প্রশাসনিক রদবদলের পরও মাদকের বাজারের নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজি বন্ধ না হওয়ায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি রাতে একাকী টহল বা চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে খুলনা জেলা বিশেষ শাখা (এসবি)।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

একই দিনে দুইবার সূর্যাস্ত ও উল্কাবৃষ্টি: স্পেনের যে গ্রামে বসছে মহাজাগতিক মেলা

2

ঢাবি শিক্ষকের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য বিজনেস সিমুলেশন প্ল্যাটফর্ম চালু

3

জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

4

এশিয়া সফরে বড় ধাক্কা: বিজি পাথুম ইউনাইটেডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ইনজুরিতে জন ম্যাকগিন

5

রেফারির বিরুদ্ধে মিশরের তোপ: বিশ্বকাপ থেকে ফরাসি প্যানেলকে বহিষ্কারের দাবি

6

ওপ্পো কালারওএস ১৭-এর গ্লোবাল রিলিজ সূচি প্রকাশ

7

বিয়ের আগেই মা হতে চেয়ে আইভিএফ করিয়েছিলেন স্বরা ভাস্কর

8

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইরানের অবস্থানের প্রশংসা হামাসের

9

ঈদে ১৬ সিনেমা, হল সংকট নিয়ে শঙ্কা

10

হাসান মাহমুদের বোলিং তোপের পর মুমিনুল-তানজিদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে উড়ন্ত সূচনা টাইগারদের