টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সাম্প্রতিক টানা ব্যর্থতার পর ওয়ানডে সিরিজেও ইতিবাচক কোনো ফল অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া নারী দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সবকটিতে হেরে হোয়াইটওয়াশ হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দলকে। সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ১৭২ রানে অলআউট হওয়ার পর স্বাগতিকদের কাছে ৮ উইকেটের ব্যবধানে হার মানতে হয় টাইগ্রেসদের। পুরো সিরিজ জুড়েই টপ অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে উঠলেও মিডল অর্ডার ব্যাটাররা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়েছেন।
টাইগ্রেসদের ধারাবাহিক টপ অর্ডার ব্যর্থতা এবং মিডল অর্ডারের অগ্রগতি নিয়ে আলোকপাত করেছেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ডেভিড হেম্প। সিরিজের প্রাপ্তি ও উন্নতির জায়গা তুলে ধরে তিনি জানান যে, কোনো ম্যাচের ফলাফল বাংলাদেশ দলের পক্ষে না আসলেও মিডল অর্ডারের ব্যাটিংয়ে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। তবে আধুনিক ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে ব্যাটিং লাইনে আরও অনেক পরিশ্রম ও গুছিয়ে নেওয়ার কাজ বাকি রয়েছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।
সিরিজ জুড়ে ব্যাটারদের সার্বিক পারফরম্যান্সের পর্যালোচনা করতে গিয়ে ডেভিড হেম্প জানান, পুরো ব্যাটিং গ্রুপের মূল পরিকল্পনা ছিল ক্রিজে সবসময় সক্রিয় থেকে রান তোলার মানসিকতা বজায় রাখা। সিরিজের নির্দিষ্ট কিছু সময় দলের ব্যাটাররা এই স্ট্র্যাটেজির প্রয়োগ দেখাতে পারলেও তা শতভাগ আয়ত্ত করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হবে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের শক্তি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান অস্ট্রেলিয়া দলটি বিশ্বসেরা এবং আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ ১০ জন ব্যাটার ও বোলারের অনেকেই এই দলে খেলছেন। ফলে বিশ্বসেরা এই প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়া টাইগ্রেসদের জন্য একটি কঠিন কিন্তু শেখার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ছিল বলে মনে করছেন প্রধান কোচ।
মন্তব্য করুন