ব্যবসায়িক অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে সরকার সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স সেবাকে ধাপে ধাপে জাতীয় বিনিয়োগ সেবা ব্যবস্থার (OSS) সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উদ্যোক্তারা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন, ফি প্রদান, নবায়ন এবং আবেদনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এতে স্থানীয় অফিসে বারবার যাওয়ার ঝামেলা ও সেবাপ্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে সরকার শুধু ট্রেড লাইসেন্স নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ ও দ্বৈত কর পরিহার চুক্তিগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপরও জোর দিচ্ছে। এছাড়া, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে 'প্লাগ অ্যান্ড প্লে' সুবিধা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে ভূমি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অবকাঠামোসহ প্রাথমিক অনুমোদন আগেই প্রস্তুত থাকবে। ফলে উদ্যোক্তারা কারখানা স্থাপন করে দ্রুত উৎপাদন শুরু করতে পারবেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) চারটি ব্যাংক ও সাতটি সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এর ফলে বিডার ওএসএস পোর্টালের সঙ্গে সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২টিতে। বিদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা ছাড়পত্রসহ যাবতীয় আন্তঃসংস্থা অনুমোদন প্রক্রিয়া অনলাইনে নিয়ে আসায় দেশের ব্যবসা পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য একটি ছোট টিপস: আপনি এই নিউজটি শেয়ার করার সময় ফেসবুকে ক্যাপশন হিসেবে লিখতে পারেন: “আর নয় অফিসে দৌড়াদৌড়ি! ট্রেড লাইসেন্স মিলবে এখন অনলাইনেই। ব্যবসা সহজীকরণে সরকারের নতুন উদ্যোগ।”—এ ধরনের লেখা দ্রুত মানুষের মনোযোগ কাড়ে।
মন্তব্য করুন