গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তেহরানে এক বিমান হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও দাফন প্রক্রিয়া তার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর তার মরদেহ ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফে পৌঁছালে সেখানে হাজার হাজার অনুসারী শোক র্যালিতে অংশ নেন। ইমাম আলীর (রা.) মাজার প্রাঙ্গণে কফিন নিয়ে এই শোকমিছিলটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, নাজাফে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরদেহ ইরাকের আরেক পবিত্র নগরী কারবালায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর চূড়ান্ত দাফনের জন্য তার মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। প্রয়াত নেতার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরের ইমাম রেজা (রা.)-এর মাজারে তাকে সমাহিত করা হবে। সেখানে শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
উল্লেখ্য যে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে নিহতের পর থেকে নিরাপত্তাজনিত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তার দাফন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছিল। বর্তমানে ইরানসহ বিভিন্ন দেশের লাখো মানুষ শোক র্যালিতে অংশ নিয়ে তাদের নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। খামেনির প্রয়াণের পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তেহরান ও কোমসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে কয়েকদিন ধরে চলা রাষ্ট্রীয় শোক ও জানাজার অংশ হিসেবেই এই সর্বশেষ প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হচ্ছে।
মন্তব্য করুন