দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 29, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

মক্কা জোটে থাকলেই কি যুদ্ধের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

০ শেয়ার
মক্কা জোটে থাকলেই কি যুদ্ধের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে যুদ্ধে নামার বাধ্যবাধকতা আছে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন, জেনে নিন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে কোনো সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে যৌথভাবে মোকাবেলার কথা বলা হলেও, চুক্তিতে সুনির্দিষ্ট করে কোনো সেনা, অস্ত্র বা যুদ্ধবিমান পাঠানোর বাধ্যবাধকতা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।
  • এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে যে, এই জোটে যুক্ত হলে অন্য দেশের পক্ষে সামরিকভাবে যুদ্ধে নামা কি বাধ্যতামূলক? বিবিসির এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞদের মতামত ও বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরে এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
  • বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জোটে থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে কোনো সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে যৌথভাবে মোকাবেলার কথা বলা হলেও, চুক্তিতে সুনির্দিষ্ট করে কোনো সেনা, অস্ত্র বা যুদ্ধবিমান পাঠানোর বাধ্যবাধকতা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে যে, এই জোটে যুক্ত হলে অন্য দেশের পক্ষে সামরিকভাবে যুদ্ধে নামা কি বাধ্যতামূলক? বিবিসির এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞদের মতামত ও বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরে এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জোটে থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এর পেছনে দুটি বড় বাস্তব উদাহরণ রয়েছে। প্রথমত, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে এমন একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। পরবর্তীতে সৌদি আরব ইরানের হামলার মুখে পড়লেও পাকিস্তানকে সেটির পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে নামতে হয়নি। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ গত জুলাই মাসে সৌদি আরবের উদ্যোগে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় গঠিত একটি সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হয়েছে। অথচ ওই অঞ্চলের কৌশলগত জলপথ বাব আল-মান্দেবে হুথিদের আক্রমণ সত্ত্বেও বাংলাদেশকে সেখানে কোনো সৈন্য পাঠাতে বা যুদ্ধ করতে হয়নি।

তুরস্কের হাসান কালিয়ানকু বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ও সমরবিশারদ মুরাত আসলান জানিয়েছেন, এই প্যাক্ট মূলত একটি প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি, আক্রমণাত্মক কোনো জোট নয়। এটিকে এখনই পশ্চিমা সামরিক জোট ‘নেটো’-র সঙ্গে তুলনা করার সুযোগ নেই, কারণ এখানে নেটোর মতো নির্দিষ্ট কোনো যৌথ কমান্ড স্ট্রাকচার বা স্থায়ী সেনাবাহিনী নেই। এই জোটের মূল উদ্দেশ্য দেশগুলোর নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা। বৃহত্তর এই প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা সহযোগিতা অনেক সময় সম্ভাব্য হামলাকারী দেশগুলোকে আক্রমণ থেকে বিরত রাখতে বা নিরুৎসাহিত করতে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

টাইফুন বাভির তাণ্ডব: চীনে ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে

2

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বড় ধাক্কা সুইজারল্যান্ড শিবিরে

3

ট্রাম্পকে মেলোনির কড়া জবাব

4

১৬ কোটি টাকায় যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ডেন ভিসা নিলেন বরিশালের সাবেক মেয়র খোকন আব্দুল্লাহ

5

দাখিল পরীক্ষায় নকল রোধে বসছে সিসিটিভি ক্যামেরা: কেন্দ্রে থাকবে কঠোর নজরদারি

6

দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক

7

বাংলাদেশের সামনে ফাইনালের হাতছানি, যা বললেন শান্ত

8

বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এসএসসির রেজাল্টের গুরুত্ব কতটা? জেনে নিন বিস্তারিত

9

সাও পাওলোর বিপক্ষে বোকার জয়

10

বিশ্বকাপে সমকামী চিকিৎসকের অভিনব প্রতিবাদ