দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নিয়ে ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সবসময়ই এক ধরণের কৌতূহল কাজ করে। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারেও মূল্যবান এই ধাতুর দামে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুসের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে এবং সেই বর্ধিত দামেই বর্তমানে বেচাকেনা চলছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
সর্বশেষ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭১ টাকা, যেখানে ভ্যাট ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ যুক্ত রয়েছে। এছাড়া কিছুটা কম বিশুদ্ধতার কথা বিবেচনা করে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হচ্ছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ক্ষেত্রে প্রতি ভরির দাম পড়ছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা। বাজুসের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পরবর্তী কোনো নতুন সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্যতালিকা কার্যকর থাকবে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে, অলঙ্কারের নান্দনিক ডিজাইন ও কারুকার্য ভেদে নির্ধারিত মজুরি বা মেকিং চার্জ আলাদাভাবে প্রযোজ্য হতে পারে। স্বর্ণের নির্দিষ্ট এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় কোনো ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায়ের সুযোগ নেই। এর আগে আগস্ট মাসের মাঝামা সময়ে দাম কিছুটা কমানো হলেও বাজারের বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ক্রেতাদের নতুন করে ভাবাচ্ছে।
মন্তব্য করুন