ঐতিহাসিকভাবে গভীর মিত্র ও ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে আসতে পারে এমন যেকোনো সম্ভাব্য সামরিক আক্রমণ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য গোপনে প্রস্তুতি শুরু করেছে কানাডা। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের কোনো আগ্রাসনের বাস্তব সম্ভাবনা অত্যন্ত কম হলেও একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে এই ধরনের কল্পিত পরিস্থিতির জন্য আগাম প্রস্তুতি না নেওয়াটা চরম দায়িত্বহীনতা হবে বলে মনে করছে দেশটির প্রশাসন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিছু মন্তব্য এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক সমীকরণের পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কানাডার এমন প্রতিরক্ষা কৌশল বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি প্রচলিত যুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তির সামনে হয়তো দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়া কানাডার জন্য অত্যন্ত কঠিন হবে, তবে সম্ভাব্য যেকোনো ঝুঁকি এড়াতে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নীতিনির্ধারকরা বিভিন্ন বিকল্প কৌশল নিয়ে ভাবছেন।
ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের বাইরে গিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কে এই নতুন ধরনের ভাবনা ও কৌশলগত প্রস্তুতি বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন অনিশ্চয়তা ও আলোচনার সূচনা করেছে। যেকোনো দায়িত্বশীল ও সার্বভৌম দেশের মতো কানাডাও যে তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে, এই পদক্ষেপ তারই একটি অংশ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।
মন্তব্য করুন