দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 1, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আন্তর্জাতিক বাজারে অব্যাহত দরপতন: ১৩ বছরের রেকর্ড ভাঙল সোনার দাম

০ শেয়ার
আন্তর্জাতিক বাজারে অব্যাহত দরপতন: ১৩ বছরের রেকর্ড ভাঙল সোনার দাম

উচ্চ মার্কিন বন্ডের মুনাফা ও ডলারের শক্ত অবস্থানের কারণে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ধারাবাহিকভাবে কমছে। ১৩ বছরের মধ্যে বড় ত্রৈমাসিক দরপতনের পর নতুন বছরের শুরুতে সোনার বাজারের পরিস্থিতি জেনে নিন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের কাছে ‘নিরাপদ বিনিয়োগ’ হিসেবে পরিচিত সোনার দাম এখন বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে।
  • ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক দরপতনের সাক্ষী হওয়ার পর, নতুন বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের শুরুতেও মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমার ধারা অব্যাহত রয়েছে।
  • বুধবার এশিয়ার বাজার লেনদেনে স্পট গোল্ডের দাম প্রায় ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৭৪ ডলারে নেমে আসে।

বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের কাছে ‘নিরাপদ বিনিয়োগ’ হিসেবে পরিচিত সোনার দাম এখন বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক দরপতনের সাক্ষী হওয়ার পর, নতুন বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের শুরুতেও মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমার ধারা অব্যাহত রয়েছে। বুধবার এশিয়ার বাজার লেনদেনে স্পট গোল্ডের দাম প্রায় ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৭৪ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচারস ১.৩ শতাংশ কমে ৩ হাজার ৯৮৭ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

সোনার দামের এই নিম্নমুখী প্রবণতার পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ কাজ করছে। প্রথমত, মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা সোনা থেকে মুখ ফিরিয়ে বন্ডের দিকে ঝুঁকছেন। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান সোনার আকর্ষণ কমিয়ে দিয়েছে। তৃতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের সতর্কতা তৈরি হয়েছে। কারণ, সোনা একটি নন-ইল্ডিং অ্যাসেট, অর্থাৎ এটি থেকে নির্দিষ্ট কোনো সুদ বা লভ্যাংশ পাওয়া যায় না। তাই সুদের হার বাড়লে সাধারণত সোনার চাহিদা কমে যায়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুন মাসে টানা চতুর্থ মাসের মতো সোনার দরপতন হয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে সোনার দাম প্রায় ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ কমেছে, যা ২০১৩ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের পর সর্বোচ্চ। মঙ্গলবার লেনদেনের একপর্যায়ে স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৪৩ ডলারে নেমে এসেছিল, যা গত বছরের নভেম্বরের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে। শুধু সোনা নয়, রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের মতো অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও একই ধরনের মন্দা লক্ষ্য করা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা কিছুটা কাটলেও বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি ও যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর মুদ্রানীতি বাজারে বড় প্রভাব ফেলছে। তবে বাজারের এই অস্থিরতা সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে স্বর্ণের গুরুত্ব এখনো অস্বীকার করার উপায় নেই। স্বল্পমেয়াদে চাপ থাকলেও বৈশ্বিক যেকোনো অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে সোনা তার অবস্থান বজায় রাখবে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা সতর্কতার সঙ্গে বাজারের পরবর্তী গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ইনজুরি কাটিয়ে সিন্ডারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে সিনসিনাটি ওপেনে ফিরছেন কার্লোস আলকারাজ

2

France vs Iraq Prediction: ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও ইরাকের মহাদ্বৈরথ

3

ফের ভারী বৃষ্টির আভাস: ঢাকাসহ সারা দেশে ১০ দিন থাকতে পারে ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা

4

জোট থেকে এনসিপির বেরিয়ে যাওয়া নিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান

5

জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, টোকিওতে বিনিয়োগের আহ্বান

6

৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস

7

রিয়েল মাদ্রিদে ফেরার শর্ত জানালেন লুকা মদ্রিচ

8

আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

9

সরকার গঠনের পর প্রথম ফেনী সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

10

বিশ্বকাপের প্রথম দিনেই ৯৬ বছরের রেকর্ড ভাঙল