দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 1, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রর ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন: ৫০ দেশের নাগরিকদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ স্থায়ী হচ্ছে

০ শেয়ার
যুক্তরাষ্ট্রর ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন: ৫০ দেশের নাগরিকদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ স্থায়ী হচ্ছে

ভিসার মেয়াদ শেষের পর যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থান কড়াকড়ি করতে ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ কর্মসূচি স্থায়ী করছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসার উদ্দেশ্যে যাওয়া নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য কঠোর নিয়ম আনতে যাচ্ছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
  • ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থান করার (ওভারস্টে) প্রবণতা কমাতে প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ কর্মসূচি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত এক ফেডারেল বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসার উদ্দেশ্যে যাওয়া নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য কঠোর নিয়ম আনতে যাচ্ছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থান করার (ওভারস্টে) প্রবণতা কমাতে প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ কর্মসূচি স্থায়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত এক ফেডারেল বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। আগামী ৩ আগস্ট ফেডারেল রেজিস্টারে চূড়ান্ত নিয়মটি প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং সেদিন থেকেই এটি কার্যকর হবে।

ফেডারেল রেজিস্টারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই নিয়ম মূলত ব্যবসা ও পর্যটনের উদ্দেশ্যে দেওয়া বি১ এবং বি২ ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এর আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন। এর আগে ২০২৫ সালে চালু হওয়া পাইলট প্রকল্পে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ডের নিয়ম থাকলেও, চূড়ান্ত নীতিমালায় ৫ হাজার ডলারের বিকল্পটি বাতিল করে সর্বোচ্চ পরিমাণ ২০ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এই তালিকায় থাকা ৫০টি দেশের মধ্যে বড় একটি অংশ অর্থাৎ প্রায় ৩০টি দেশই আফ্রিকার।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে যাওয়া ভ্রমণকারীদের মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার প্রবণতা বেশি, যা রোধ করতেই এই বন্ড কর্মসূচি একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। তবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিবাসন অধিকারকর্মীরা। তাদের মতে, অতিরিক্ত এই আর্থিক শর্তের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভ্রমণ মারাত্মকভাবে নিরুৎসাহিত হবে। পাশাপাশি এটি বর্ণগত বৈষম্যকে (রেশিয়াল প্রোফাইলিং) উৎসাহিত করছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার স্বার্থে এসব কঠোর পদক্ষেপ অপরিহার্য বলে সাফাই গেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। উল্লেখ্য, অবৈধ অভিবাসন রোধের পাশাপাশি বর্তমান মার্কিন প্রশাসন নির্দিষ্ট ভিসার আবেদন ফি বৃদ্ধি এবং সোশ্যাল মিডিয়া যাচাইয়ের (ভেটিং) নিয়ম কঠোর করার মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়াকেও আগের তুলনায় বেশ কঠিন করে তুলেছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

মাটির উনুন ও খড়কুটোই জুলেখাদের ভরসা: উত্তর বাড্ডায় তীব্র গ্যাস সংকট

2

প্রধানমন্ত্রীর পদে সর্বোচ্চ ১০ বছরের সীমার পক্ষে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

3

শত্রুর হামলা হলে জবাব দেবে ইরান, সশস্ত্র বাহিনীকে খামেনির নির্দেশ

4

শেষ টেস্টে চার পেসার খেলানো নিয়ে যা বললেন কোচ ফিল সিমন্স

5

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

6

শরিয়াহবিরোধী কোনো আইন মেনে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না: মাওলানা আব্দুল মালেক

7

ব্রাজিলকে রুখতে মরক্কোর পিএসজি কৌশল

8

তিন বছর পর গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিলিস্তিনের সাবেক মন্ত্রীর পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার ও দাফন

9

বোকা জুনিয়রস বনাম তায়েরেস ম্যাচ প্রিভিউ

10

ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করল জিম্বাবয়ে