বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোকে দেখানো বিতর্কিত লাল কার্ডের ঘটনায় ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) স্পষ্ট বার্তার পর অবশেষে মুখ খুলেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের এই পরিচালনা পর্ষদটি দাবি করেছে, ওই ম্যাচে রেফারি বা ভিএআর কর্তাদের কোনো ভুল ছিল না; বরং এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মাঠে ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত’ হয়েছিল।
এর আগে আইএফএবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে ভিএআরের ‘ভুল শনাক্তকরণ’ নীতিটি এমবোলোর ক্ষেত্রে যেভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল তা প্রচলিত নিয়মের পরিপন্থী। তবে সেই ব্যাখ্যা সত্ত্বেও ফিফা ও আইএফএবি পুরো টুর্নামেন্টে এই নিয়মের প্রয়োগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। ফিফার মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, ২০২৬ বিশ্বকাপে ‘ভুল শনাক্তকরণ’ ধারাটি ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। গ্রুপ পর্বে প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরোনের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে ফিফা জানায়, টুর্নামেন্টে এমন দুটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে প্রতিপক্ষের অভিনয়ের কারণে নিরপরাধ খেলোয়াড় হলুদ কার্ড পেলেও ভিএআরের সহায়তায় তা সংশোধন করা হয়েছে।
ফিফা আরও জানিয়েছে, ‘সিমুলেশন বা অভিনয় কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। এর ফলে কোনো নিরপরাধ খেলোয়াড়কে অযথা কার্ড দেখা কিংবা পরবর্তী ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হওয়ার মতো শাস্তির মুখোমুখি হতে দেওয়া উচিত নয়।’ রেফারিংয়ের পক্ষে যুক্তি দিয়ে সংস্থাটির দাবি, এই সিদ্ধান্তে কোনো ভুল ছিল না বরং এটি মাঠে ন্যায়বিচার পুনরুদ্ধার করেছে। ফিফা জানায়, তারা আইএফএবির সার্কুলারটি লক্ষ্য করেছে এবং সংস্থাটির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই কাজ করছে, যা আগামী বার্ষিক সাধারণ সভায় ভিএআর প্রোটোকল সংশোধনের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন