নির্বাচন কমিশনসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্টীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে দলীয় পদধারী ব্যক্তিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। রবিবার ঝিনাইদহ পায়রা চত্বরে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন যে, নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণের কুমতলব ও কূটকৌশল থেকেই সেখানে একজন দলীয় পদধারী ও মিছিলে অংশগ্রহণকারী অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বসানো হয়েছে।
ঝিনাইদহের স্থানীয় শহীদ মিনার থেকে ‘দেশ গঠনের জুলাই জাগরণ’ স্লোগান নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য পদযাত্রা শেষে পায়রা চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আখতার হোসেন বলেন, শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, বরং শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন ও বিএসইসিসহ দেশের ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় সরাসরি বিএনপির দলীয় পদধারী নেতাকর্মীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন যে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এভাবে দলীয়করণের ধারা চলতে থাকলে দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে এবং জনগণ এর কোনো সুফল পাবে না। বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে নতুন করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরও জানান যে, নাগরিক সেবা বৃদ্ধি এবং হয়রানি দূর করার বৃহত্তর লড়াইয়ের অংশ হিসেবেই এনসিপি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।
সমাবেশে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন তুষার, নারীশক্তির নেত্রী ও এমপি ডা. মাহমুদা মিতু, যুগ্ম আহ্বায়ক আলি হাসান যুবায়ের এবং ঝিনাইদহ সদর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী তারেক রেজাসহ স্থানীয় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তরুণ সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন