ক্রিকেট বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ আসর আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরবর্তী সংস্করণ নিয়ে বাড়ছে উত্তেজনা। দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের যৌথ আয়োজনে ২০২৭ সালের ৪ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টটি এবার ১২টি দল নিয়ে আয়োজিত হবে। বিশ্বকাপের মূল পর্বে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ার জন্য র্যাংকিংয়ের সমীকরণ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে। আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে র্যাংকিংয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে কোন কোন দল সরাসরি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। এই লড়াইয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে ৮৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ ৯ নম্বরে এবং ১০ নম্বরে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইসিসি এবার বাছাইপর্বের নিয়মাবলীতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। ২০২৭ সালের শুরুর দিকে ১০টি দল নিয়ে আয়োজিত হবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব। এই বাছাইপর্বে যে দলটি চ্যাম্পিয়ন হবে, তারা সরাসরি ১১তম দল হিসেবে মূল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। পরবর্তী ধাপে বাছাইপর্বের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে একটি বিশেষ ‘সুপার সিরিজ’। এই সিরিজ থেকে জয়ী সেরা দলটি ১২তম দল হিসেবে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা করে নেবে।
বাছাইপর্বের নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ১০টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে এবং গ্রুপ পর্ব শেষে শীর্ষ দলগুলো নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে সুপার সিক্স রাউন্ড। মূল বিশ্বকাপের মঞ্চেও এবার দেখা যাবে নতুনত্বের ছোঁয়া। ১২টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে প্রাথমিক লড়াই শুরু হবে। গ্রুপ পর্ব শেষে উভয় গ্রুপের শীর্ষ তিনটি করে দল এবং পরবর্তী সেরা দল নিয়ে মোট সাতটি দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে ‘সুপার সেভেন’ রাউন্ড। এই রাউন্ডের শীর্ষ চারটি দল সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে। পূর্বের তুলনায় দলের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নতুন এই ফরম্যাট ওয়ানডে বিশ্বকাপকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে তুলবে বলে প্রত্যাশা করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
মন্তব্য করুন