দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 14, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

মণিরামপুরে জামায়াতের ৩ নেতার পদ স্থগিত

০ শেয়ার
মণিরামপুরে জামায়াতের ৩ নেতার পদ স্থগিত

যশোরের মণিরামপুরে নদী খননের মাটি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি, হাট ইজারা ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারিসহ ৩ নেতার পদ স্থগিত করা হয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় নদী খননের মাটি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ, হাট ইজারা সিন্ডিকেট এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তিন শীর্ষ নেতার পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
  • শুক্রবার (১৩ জুন) উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সাংগঠনিক ও দায়িত্বশীল বৈঠক শেষে জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
  • পদ স্থগিত হওয়া নেতারা হলেন উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটন, জেলা শুরা সদস্য মহিউল ইসলাম এবং পৌর টিম সদস্য ফারুক হোসেন।


যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় নদী খননের মাটি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ, হাট ইজারা সিন্ডিকেট এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তিন শীর্ষ নেতার পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ জুন) উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সাংগঠনিক ও দায়িত্বশীল বৈঠক শেষে জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পদ স্থগিত হওয়া নেতারা হলেন উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটন, জেলা শুরা সদস্য মহিউল ইসলাম এবং পৌর টিম সদস্য ফারুক হোসেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকায় আহসান হাবিব লিটন ও ফারুক হোসেনকে দুই মাসের জন্য এবং মহিউল ইসলামকে তিন মাসের জন্য তাঁদের সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলেও বিষয়টি দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা প্রক্রিয়ার অংশ বলে এড়িয়ে গেছেন জেলা ও উপজেলার শীর্ষ নেতারা।

সংশ্লিষ্ট দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল মণিরামপুরে হরিহর নদ খনন প্রকল্প থেকে উত্তোলিত মাটি নিলামের অর্থ ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে আহসান হাবিব লিটন ও মহিউল ইসলামসহ উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন এবং জামায়াত কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। এই ঘটনার পর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আরশাদুল আলমের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে উঠে আসে যে, গত সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী গাজী এনামুল হক সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সহকারী সেক্রেটারি লিটন ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রশাসনিক প্রভাব খাটানো, গরুর হাট ইজারা নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অনৈতিক আর্থিক সুবিধা গ্রহণের সাথে জড়িয়ে পড়েন। তদন্ত কমিটির অকাট্য রিপোর্টের ভিত্তিতেই জেলা জামায়াত এই কঠোর পদক্ষেপ নেয়। উপজেলা আমির ফজলুল হক ঢাকায় অবস্থান করায় সেক্রেটারি খলিলুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্দেশ পাঠ করে শোনান। ঘটনার তদন্ত প্রধান আরশাদুল আলম পদ স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, জামায়াতে ইসলামীতে কোনো ধরনের নীতিবিগর্হিত ও দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ বরদাশত করা হয় না।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

জামায়াত আমিরের গাড়িবহরকে লাল কার্ড, যা বললেন ছাত্রদল নেতা

2

৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার গায়েব, ২ জেটি সরকার গ্রেপ্তার

3

Spain vs Belgium: FIFA World Cup 2026 Quarter-final Preview

4

ইয়ামালকে থামাতে রুমে তালাবদ্ধ করার পরিকল্পনা স্কালোনির!

5

রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের জমি বরাদ্দের আবেদন নাকচ বাংলাদেশের

6

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

7

স্থানীয় ভোটে পোস্টার নিষিদ্ধ, এআই প্রচারণায় কড়াকড়ি

8

নৈতিকতা গঠনে দরকার পবিত্র পরিবেশ: দারুননাজাত একাডেমি ক্যাম্পাস-২ উদ্বোধন

9

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কি খেলবেন এমবাপ্পে? গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে উত্তাপ

10

সান্তোসকে হারিয়ে বড় জয় পালমেইরাসের