দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ই-সিগারেট কি আসলেই নিরাপদ?ৃৃ

০ শেয়ার
ই-সিগারেট কি আসলেই নিরাপদ?ৃৃ

ই-সিগারেট বা ভেপিং কি সাধারণ সিগারেটের চেয়ে নিরাপদ? নতুন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় উঠে এসেছে ক্যানসারসহ শরীরের কোষের মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • দীর্ঘদিন ধরে ই-সিগারেট বা ভেপিংকে প্রচলিত তামাকজাত ধূমপানের একটি ‘নিরাপদ বিকল্প’ হিসেবে প্রচার করা হলেও, সাম্প্রতিক গবেষণায় এর ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
  • ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসের গবেষকদের নতুন একটি বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা ‘কারেন্ট অনকোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
  • এতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ভেপিংয়ের বাষ্প বা অ্যারোসল মানবদেহের টিস্যু, কোষ এবং ডিএনএ-র ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

দীর্ঘদিন ধরে ই-সিগারেট বা ভেপিংকে প্রচলিত তামাকজাত ধূমপানের একটি ‘নিরাপদ বিকল্প’ হিসেবে প্রচার করা হলেও, সাম্প্রতিক গবেষণায় এর ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসের গবেষকদের নতুন একটি বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা ‘কারেন্ট অনকোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ভেপিংয়ের বাষ্প বা অ্যারোসল মানবদেহের টিস্যু, কোষ এবং ডিএনএ-র ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ই-সিগারেটের বাষ্পে ফরমালডিহাইড, অ্যাসিটালডিহাইড, অ্যাক্রোলিন এবং ভারী ধাতুর মতো বিষাক্ত উপাদান বিদ্যমান। এগুলো শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ তৈরির মাধ্যমে ক্যানসারের পথ প্রশস্ত করে। গবেষকদের মতে, মুখগহ্বর ও শ্বাসনালীর কোষে এমন অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা গেছে যা ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণের সাথে হুবহু মিলে যায়। সাধারণ সিগারেটের চেয়ে কম ক্ষতিকর উপাদান থাকার অর্থ এই নয় যে এটি সম্পূর্ণ ঝুঁকিহীন,বরং এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক স্বাস্থ্যসংকট তৈরি করছে।

ভেপিং মূলত তিনটি প্রধান উপায়ে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলে: প্রথমত, এটি শরীরের প্রাকৃতিক অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়িয়ে ডিএনএ নষ্ট করে; দ্বিতীয়ত, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের মাধ্যমে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে; এবং তৃতীয়ত, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। বিশেষ করে ফ্লেভারযুক্ত ভেপিং পণ্যগুলো মুখের ভেতরের নরম টিস্যুতে তীব্র জ্বালাপোড়া ও কোষের ক্ষতি করছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা মুখগহ্বরের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি বারবার সতর্ক করে বলেছে যে, ই-সিগারেট কোনোভাবেই ঝুঁকিমুক্ত নয়। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এটি একটি ভয়ংকর প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষকরা জোর দিয়ে বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যগত তথ্যের অভাব মানেই ভেপিং নিরাপদ নয়। সুতরাং, ‘ধূমপানের চেয়ে নিরাপদ’ এই বিভ্রান্তিকর ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে জনসচেতনতা বাড়ানোই এখন সময়ের দাবি। শরীরের ওপর এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব সম্পর্কে সবাইকে আরও সতর্ক হতে হবে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ইরানের জয় মুসলিম উম্মাহর বিজয়: হামাস লিডারশিপ কাউন্সিলের প্রধান

2

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ: জাহির খানের মালিকানাধীন কোম্পানির হাতে গেল জাফনা কিংস

3

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৭ আল্ট্রার ক্যামেরা নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ

4

চীনের লিঙ্গ ভারসাম্যহীনতা ও ব্রাইড প্রাইসের সুযোগ নিয়ে সর্বস্বান্ত করছে প্রতারক ঘটকালি চক্র

5

বিমানবন্দরে সিন্ডিকেটের কারসাজি: বোর্ডিং গেটে ৫ জন ধরা পড়ার পর পালালেন ৭১ যাত্রী

6

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সঙ্গী ও বন্ধু

7

বগুড়ায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে যুবকের মৃত্যু

8

মাদারীপুরের কালকিনিতে বিপুল পরিমাণ জাল নোট ও সরঞ্জামসহ যুবক গ্রেফতার

9

জান্নাতের টিকিট বিক্রি করিনি: জামায়াত আমির

10

রাজস্থান রয়্যালসের শেয়ার থেকে ৪৫০ কোটি টাকা পাচ্ছে শেন ওয়ার্নের পরিবার