|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 13, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

এয়ারফোর্স ওয়ানে হামলার আশঙ্কার নেপথ্যে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা? সন্দেহ তুরস্কের

ট্রাম্পের এয়ারফোর্স ওয়ানে হা

মলার আশঙ্কার নেপথ্যে কি ইসরায়েলি গোয়েন্দারা? তুরস্কের সন্দেহ

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন শেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশে ফেরা নিয়ে হঠাৎ করেই এক নাটকীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ট্রাম্পকে বহনকারী ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ বিমানে ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দাদের যে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল, তার পেছনে ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের সুপরিকল্পিত কোনো চাল রয়েছে বলে তীব্র সন্দেহ প্রকাশ করেছে তুর্কি কর্তৃপক্ষ। আঙ্কারার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ধারণা, তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের চলমান কূটনৈতিক আলোচনা এবং শান্তি প্রক্রিয়াকে চিরতরে ভণ্ডুল করতেই এই ভুয়া বা অতিরঞ্জিত হুমকির নাটক সাজানো হয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ জুলাই, যখন আঙ্কারা বিমানবন্দরে ট্রাম্পের ফ্লাইটকে ঘিরে হঠাৎ করেই নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়। ইসরায়েল থেকে আসা একটি গোপন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, ইরানের একটি বিশেষ ইউনিট বিমানবন্দরের খুব কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র বা ‘ম্যানপ্যাডস’ দিয়ে নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান বিমানটিকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে চরম সতর্কতা অবলম্বন করে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের যাত্রার স্থান পরিবর্তন করে এসেনবোয়া বিমানবন্দরে নেওয়া হয় এবং নতুন বিমানের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত পুরোনো এয়ারফোর্স ওয়ান ব্যবহার করা হয়, যেটিতে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল।

তবে তুর্কি কর্মকর্তাদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এক ভিন্ন চিত্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত করতে, যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এমনকি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকেও ট্রাম্প ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বরাবরই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এবং ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় বড় ধরনের হামলার পক্ষে। ফলে ট্রাম্পের এই শান্তিপ্রচেষ্টা নেতানিয়াহুর যুদ্ধংদেহী নীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক ছিল। তুর্কি প্রশাসনের জোরালো বিশ্বাস, ইরানের হুমকিটি ছিল মূলত নেতানিয়াহু সরকারের একটি কৌশলগত চাল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চলমান শান্তি আলোচনা ভেস্তে দেওয়া এবং ইসরায়েলকে আমেরিকার একমাত্র পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে তুলে ধরা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাহুলের ‘আউটসাইডার নীতি’ ও কংগ্রেসের অন্দরে বাড়ছে ক্ষোভের বা

1

কাতারে বোমা হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর দম্ভ

2

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের প্যাড ও স্বাক্ষর জালিয়াতি, কঠো

3

রেকর্ড দামে মরক্কোর টিনেজার আইয়ুব বুয়াদ্দিকে দলে নিল ম্যান

4

মুমিনের কাছে দুনিয়ার কষ্ট: বিপদের আড়ালে আল্লাহর বিশেষ রহমত ও

5

সারা দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি

6

আবারও র‍্যাম্পে হাঁটবেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন

7

অবশেষে নতুন জার্সি পেল বাংলাদেশ

8

সালমান শাহের লাশ উত্তোলন: আবেদন নথিভুক্ত, আগের আদেশ বহাল

9

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র: দারিদ্র্য জয় করে বিশ্বমঞ্চে

10

শেওড়াপাড়ায় চলন্ত মোটরসাইকেলে ইট মারার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

11

ভারত পালাতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন হত্যা মামলার আসামি

12

প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ালেন অভিন

13

‘বাংলাদেশকে দাস রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে রু

14

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা টিআইবির

15

সুন্দরবনে মধু চুরির হিড়িক: মৌমাছির প্রজনন ও রাজস্ব সংকটে সুন

16

ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল: চরম স্বাস্থ্যঝ

17

পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়াল বিপিসি: রেশনিং ব্

18

শাহবাজ শরিফের সরকার পূর্ণ মেয়াদেই টিকবে, দাবি স্বরাষ্ট্রমন্

19

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে খুলে গেল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: মাহদী আমি

20