প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর মন্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাবিদুল ইসলাম সিয়াম নামের এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে [cite: প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর মন্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাবিদুল ইসলাম সিয়াম নামের এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে।]। রোববার (২১ জুন) দিবাগত রাতে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় তাঁর খালার বাড়ি থেকে সিয়ামকে আটক করে আখাউড়া থানা পুলিশ [cite: রোববার (২১ জুন) দিবাগত রাতে মোবাইল ট্রাকিং এর মাধ্যমে সদর উপজেলায় তার খালার বাড়ি থেকে সিয়ামকে আটক করে আখাউড়া থানা পুলিশ।]। আটককৃত সাবিদুল ইসলাম সিয়াম আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী আজমপুর গ্রামের শাহনেওয়াজ মিয়ার ছেলে এবং সে স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী [cite: আটককৃত সাবিদুল ইসলাম সিয়াম আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী আজমপুর গ্রামের শাহনেওয়াজ মিয়ার ছেলে। সে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।]। জাইমা রহমানকে নিয়ে দেওয়া ওই বিতর্কিত পোস্টের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ সিয়ামকে শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করে।
আখাউড়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর পোস্টের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের একটি বিশেষ টিম তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে কাজ শুরু করে [cite: আখাউড়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর পোস্টের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়।]। পরবর্তীতে রোববার দিবাগত রাতে মোবাইল ট্র্যাকিং প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্ত সিয়ামের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। সেই ট্র্যাকিং ডেটার ওপর ভিত্তি করে সদর উপজেলার উত্তর জগৎসার এলাকায় সিয়ামের খালার বাড়িতে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে হাতেনাতে আটক করে। অভিযান চলাকালে আটককৃত সিয়ামের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে, যা দিয়ে ওই আপত্তিকর পোস্ট করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়েরের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম এই আটকের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের দেওয়া লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ এই অভিযানটি পরিচালনা করে সিয়ামকে আটক করেছে। আটককৃত শিক্ষার্থীকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এর পাশাপাশি ওসি জাবেদ উল ইসলাম কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের সাইবার অপরাধ বা কুরুচিপূর্ণ তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন অত্যন্ত কঠোর এবং এই জাতীয় অপরাধের ক্ষেত্রে তাঁরা সম্পূর্ণ ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করছেন।
মন্তব্য করুন