|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 8, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দ্রুত অস্ত্র উৎপাদন ও পরীক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিল মার্কিন সেনা

রণক্ষেত্রে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও আধুনিক প্রযুক্তির সমরাস্ত্রের সরবরাহ দ্রুত নিশ্চিত করতে এক অভূতপূর্ব ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক অস্ত্র নির্মাণকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তারা নিজেদের সামরিক পরীক্ষাকেন্দ্র বা টেস্ট রেঞ্জগুলো উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। মিশিগানের একটি সামরিক পরীক্ষাকেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন সেনাসচিব ড্যান ড্রিসকল জানান, এই উদ্যোগের ফলে সামরিক ঠিকাদারদের দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক জটিলতা ও লালফিতার দৌরাত্ম্য কয়েক মাস থেকে বছর পর্যন্ত কমে আসবে। এছাড়া গতকাল চালু হওয়া একটি বিশেষ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন করার মাত্র ৩০ দিনের মধ্যেই দেশের ভেতরে বা বিদেশে মিত্র রাষ্ট্রগুলোতে অবস্থিত মার্কিন টেস্টিং রেঞ্জগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।

বর্তমান বিশ্বের দ্রুত বদলাতে থাকা যুদ্ধপদ্ধতি, বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন প্রযুক্তির উদ্ভাবনী ব্যবহার এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলোর প্রেক্ষাপটেই পেন্টাগন এই নীতিগত পরিবর্তন এনেছে। এর আগে যেকোনো নতুন প্রযুক্তি বা অস্ত্র পরীক্ষার জন্য ১২ থেকে ১৮ মাসের মতো দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হতো, যা বর্তমান দ্রুতগতির যুদ্ধের চাহিদার সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পেন্টাগন এখন বাজারের ছোট ও নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোকে কম খরচে কার্যকর অস্ত্র তৈরিতে উৎসাহিত করছে এবং বিগত দুই-তিন দশকে গড়ে ওঠা সমস্ত প্রশাসনিক বাধা ভেঙে ফেলতে চাইছে। ইতিমধ্যেই এই কর্মসূচির অধীনে ‘কভেন্যান্ট ইন্ডাস্ট্রিজ’ মরক্কোতে অবস্থিত মার্কিন সেনাবাহিনীর মিসাইল টেস্ট রেঞ্জে তাদের নতুন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগ পেয়েছে।

যদিও সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার বিশ্লেষণে প্যাট্রিয়ট ও থাড-এর মতো উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত কমে যাওয়ার ব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, তবুও সেনাসচিব ড্যান ড্রিসকল দাবি করেছেন যে বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় তাদের অস্ত্রের মজুত বিশাল এবং নতুন বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এই নতুন কর্মসূচির আওতায় কোনো ধরনের সামরিক চুক্তি ছাড়াই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো রকেট, ড্রোন এবং ড্রোন-বিধ্বংসী অস্ত্র পরীক্ষার জন্য সেনাবাহিনীর নির্ধারিত পাঁচটি টেস্ট রেঞ্জ ব্যবহার করতে পারবে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করতে বেসরকারি শিল্প খাতকে সরাসরি মাঠে নামানোর এই মার্কিন উদ্যোগ বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা খাতে এক বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক বিতর্ক: বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান

1

ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

2

হাইপারসনিক ব্রহ্মস তৈরি করছে ভারত-রাশিয়া

3

আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেও নোবেল না পাওয়ার আক্ষেপ ট্রাম্পের

4

সুপার অ্যাপের পথে টিকটক: ভিডিওর বাইরেও মিলবে সব সুবিধা

5

বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম: গুজব না ছড়াতে তথ্যমন্ত্রীর কড়া

6

অপহরণ নয়, আত্মগোপনে ছিলেন শিবির নেতা জিসান

7

ট্রাম্পের ছবিযুক্ত আড়াই লাখ কমেমোরেটিভ পাসপোর্ট দিচ্ছে স্টেট

8

রোনালদোকে কি মাঠ থেকে তোলার সময় হয়েছে?

9

অ্যান্ড্রয়েডের যুগ কি শেষ? হুয়াওয়ের নতুন অপারেটিং সিস্টেম হা

10

বিমানবাহিনীতে বেসামরিক পদে ৩৪২ জনের বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদ

11

এনআরবিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, বয়স ৪০ বছর হলেই করা যাবে আবেদ

12

হানজালার কঠোর সমালোচনা করলেন রাশেদ খান

13

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের লক্ষ্যে তুরস্ক

14

Spain vs Austria: FIFA World Cup 2026 Round of 32 Preview

15

নবম পে স্কেল: ৪ ক্যাটাগরিতে ইনক্রিমেন্ট পাবেন সরকারি চাকরিজী

16

Czechia vs South Africa Prediction: ২০২৬ বিশ্বকাপে চেক প্রজা

17

সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন আর নেই

18

ই-সিগারেট কি আসলেই নিরাপদ?ৃৃ

19

চিরনিদ্রায় ‘জুরাসিক পার্ক’ খ্যাত অভিনেতা স্যাম নিল

20