নাটোরের লালপুরে লাম্পি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ২০ হাজার গরু। টিকার সংকট নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় জানিয়েছে, রোগের প্রকোপ বর্তমানে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং আক্রান্তদের চিকিৎসায় মেডিকেল টিম কাজ করছে।
নাটোরের লালপুর উপজেলায় লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) বা ল্যাম্পি ভাইরাসের প্রকোপে খামারি ও কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এ রোগের প্রকোপ এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
এর আগে, রোগের প্রাদুর্ভাব চলাকালে টিকার তীব্র সংকট এবং যথাযথ চিকিৎসার অভাবে বেশ কিছু গরুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে স্থানীয় খামারিদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল।
তবে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছেন, মেডিকেল টিমের কার্যক্রম জোরদার করার ফলে ভাইরাসটি আর নতুন করে ব্যাপকভাবে ছড়াতে পারছে না। নিয়মিত মনিটরিং এবং সচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমে খামারিদের গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।