দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 2, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

তিন বছরেও চালু হয়নি কর্ণফুলী টানেলের বিলাসবহুল অতিথিশালা: সরকারের ইজারার সিদ্ধান্ত

০ শেয়ার
তিন বছরেও চালু হয়নি কর্ণফুলী টানেলের বিলাসবহুল অতিথিশালা: সরকারের ইজারার সিদ্ধান্ত

নির্মাণে ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয় হলেও জনবলের অভাবে তিন বছর ধরে অব্যবহৃত রয়েছে কর্ণফুলী টানেলের বিলাসবহুল অতিথিশালা। সরকার এখন এটি ২৯ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু টানেলের প্রজেক্টের আওতায় গড়ে তোলা বিলাসবহুল অতিথিশালাটি উদ্বোধনের তিন বছর পার হলেও এখনো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠেনি।
  • সাত তারকা মানের সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই অতিথিশালাটি নির্মাণের পর থেকে এখন পর্যন্ত পুরোপুরি খালি পড়ে আছে।
  • মূলত টানেলের সার্ভিস এরিয়াতে অবস্থিত প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুটের এই আধুনিক বাংলোটি নির্মাণ করা হয়েছিল প্রকল্পের কর্মকর্তাদের এবং বিশেষ অতিথিদের ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে।

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু টানেলের প্রজেক্টের আওতায় গড়ে তোলা বিলাসবহুল অতিথিশালাটি উদ্বোধনের তিন বছর পার হলেও এখনো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠেনি। সাত তারকা মানের সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই অতিথিশালাটি নির্মাণের পর থেকে এখন পর্যন্ত পুরোপুরি খালি পড়ে আছে। মূলত টানেলের সার্ভিস এরিয়াতে অবস্থিত প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুটের এই আধুনিক বাংলোটি নির্মাণ করা হয়েছিল প্রকল্পের কর্মকর্তাদের এবং বিশেষ অতিথিদের ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে। তবে নির্মাণ শেষ হওয়ার তিন বছর পেরিয়ে গেলেও পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি। এই অতিথিশালাটি যেমনটি দেখা যাচ্ছে image_17c2ba.jpg ফাইলে, সেখানে রয়েছে ছয়টি সুসজ্জিত কক্ষ এবং সামনের চমৎকার সুইমিংপুল।

এই অতিথিশালাটি নির্মাণে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার মতো বড় অঙ্কের ব্যয় হয়েছে, যা পুরো টানেল প্রকল্পের খরচ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে টানেল প্রকল্পের আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে গিয়ে কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে, কারণ দৈনিক আয়ের চেয়ে ব্যয় অনেক বেশি হচ্ছে। টানেল চালুর সময় যেসব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যানবাহন চলাচলের সংখ্যা তার তুলনায় অনেক কম। এমতাবস্থায় সরকারের পক্ষ থেকে অতিথিশালাটিকে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের জন্য ২৯ বছরের দীর্ঘ মেয়াদে ইজারা দেওয়ার বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ইজারা দেওয়ার জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে এবং আগামী ১৩ জুলাই দরপত্র জমার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

আনোয়ারা প্রান্তে অবস্থিত এই সার্ভিস এরিয়াতে শুধু অতিথিশালাই নয়, বরং টানেলের রেপ্লিকা, সম্মেলনকেন্দ্র, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হেলিপ্যাড, মসজিদ এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনসহ অনেক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এর বাইরেও মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে আরেকটি অত্যাধুনিক পর্যটন কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। তবে বর্তমানে সেতু কর্তৃপক্ষ অতিথিশালাটি চালু করার জন্য নিজস্ব জনবল নিয়োগের বদলে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে ইজারা দিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, ইজারার মাধ্যমে এই বিশাল স্থাপনাটি এখন থেকে রাজস্ব উপার্জনের একটি নতুন উৎস হয়ে উঠবে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

শ্যালিকাকে বিয়ে করে তোপের মুখে টিকটকার মাসুদের তালাকের ঘোষণা

2

শফিক ও বাবরের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ঘুরে দাঁড়াল পাকিস্তান, দিন শেষে পিছিয়ে ৭৮ রানে

3

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও কমল: নতুন দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা

4

মোদি-শাহের মতো নেতাদের পাওয়া দেশের সৌভাগ্য: অজিত ডোভাল

5

ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিতের নির্দেশ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের

6

আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে

7

দেশে ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৯

8

খামেনির জানাজায় আইআরজিসি প্রধান আহমদ ওয়াহিদি

9

শেরপুরে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধ নিহত

10

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যেই জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ