দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 6, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

বিহারে মিলল ৭০০ বছরের প্রাচীন বটগাছ: নতুন গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য

০ শেয়ার
বিহারে মিলল ৭০০ বছরের প্রাচীন বটগাছ: নতুন গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য

বিহারের মুঙ্গেরে পাওয়া গেছে ৭০০ বছরের এক প্রাচীন বটগাছ। আধুনিক রেডিওকার্বন ডেটিং পদ্ধতিতে গবেষণার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে গাছটি আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি পুরনো।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ভারতের বিহার রাজ্যে খুঁজে পাওয়া গেছে প্রায় ৭০০ বছর বয়সী এক বিশাল বটগাছ, যা পুরো ভারতজুড়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে দারুণ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
  • এতদিন পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হতো যে, গাছটির বয়স বড়জোর ৩০০ থেকে ৩৫০ বছরের মধ্যে।
  • কিন্তু আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবেষণার পর জানা গেল, এটি যতটা পুরনো মনে করা হয়েছিল, তার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি প্রাচীন।

ভারতের বিহার রাজ্যে খুঁজে পাওয়া গেছে প্রায় ৭০০ বছর বয়সী এক বিশাল বটগাছ, যা পুরো ভারতজুড়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে দারুণ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। এতদিন পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হতো যে, গাছটির বয়স বড়জোর ৩০০ থেকে ৩৫০ বছরের মধ্যে। কিন্তু আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবেষণার পর জানা গেল, এটি যতটা পুরনো মনে করা হয়েছিল, তার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি প্রাচীন। লখনউয়ের বীরবল সাহানি ইনস্টিটিউট অফ প্যালিওসায়েন্স-এর গবেষকরা এই গাছটির বয়স নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল রেডিওকার্বন ডেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। গাছটির একদম ভেতরের অংশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে কোষীয় উপাদানের সবচেয়ে স্থিতিশীল অংশ বিশ্লেষণের মাধ্যমেই এই অভাবনীয় তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বটগাছের মতো চওড়া পাতার গাছগুলোর সঠিক বয়স বের করা বেশ কঠিন কারণ এগুলো অন্য অনেক গাছের মতো প্রতি বছর বলয় তৈরি করে না। তবে নতুন এই গবেষণায় ব্যবহৃত বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা গাছটির বয়স ৭০০ বছর হিসেবে নিশ্চিত করেছেন। এই প্রাচীন গাছটি মুঙ্গের অঞ্চলের এক পুরোনো স্থাপনার কাছে অবস্থিত। ঐতিহাসিকদের মতে, এই গাছটি মুঘল আমল থেকে শুরু করে ব্রিটিশ শাসন এবং অসংখ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের নীরব সাক্ষী হিসেবে এখনো টিকে আছে।

এটি যে কেবল বিহারের কোনো একটি গাছ, তা নয়; গবেষকরা একে প্রাচীন বনাঞ্চলের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন যা কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও টিকে গেছে। এই আবিষ্কার পরিবেশ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেবে। গাছটিকে এখন একটি জীবন্ত আর্কাইভ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কয়েক শতাব্দী ধরে এই অঞ্চলের জলবায়ু ও ভূ-প্রকৃতির বিবর্তন পর্যবেক্ষণ করেছে। স্থানীয় প্রশাসন এখন এই ঐতিহাসিক বৃক্ষটিকে হেরিটেজ বা ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষের মর্যাদা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে যাতে ভবিষ্যতে এটি আরও সুরক্ষিত থাকে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ঢাকার আবহাওয়া: বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

2

সৌদির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে তেল পরিবহন বেড়ে ৫৮ লাখ ব্যারেল

3

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে বাড়ছে তেলের দাম

4

কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরানো হবে: শামা ওবায়েদ

5

অবসর নিয়ে যা বললেন অমিতাভ বচ্চন

6

জাতীয় ছাত্রশক্তির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

7

ম্যারাডোনার স্মৃতির পথে মেসি

8

প্রান্তিক মানুষের নাগালে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: মির্জা ফখরুল

9

মৎস্য খাতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটেছে, এবার রপ্তানি বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

10

স্থানীয় সরকার বিভাগে সব ধরনের দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিতের নির্দেশ