দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কলাবাগানে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে তিন বন্ধু দগ্ধ: একজনের অবস্থা গুরুতর

০ শেয়ার
কলাবাগানে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে তিন বন্ধু দগ্ধ: একজনের অবস্থা গুরুতর
কলাবাগান বিস্ফোরণ

রাজধানীর কলাবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে সেপটিক ট্যাংক থেকে গ্যাস জমে ভয়াবহ বিস্ফোরণে তিন যুবক দগ্ধ হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • রাজধানীর কলাবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকায় সেপটিক ট্যাংক থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে তিন বন্ধু গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।
  • বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
  • দগ্ধ তিন যুবক হলেন,রানা (২২), জুয়েল (২০) ও পারভেজ (২১)।

রাজধানীর কলাবাগানের ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকায় সেপটিক ট্যাংক থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে তিন বন্ধু গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ তিন যুবক হলেন,রানা (২২), জুয়েল (২০) ও পারভেজ (২১)। তারা সবাই পান্থপথ এলাকায় বিভিন্ন ফার্নিচারের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত। বর্তমানে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা ফার্নিচার ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন রাজিব জানান, জুয়েলের পরিবারের সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে থাকায় তিনি ওই রাতে তার দুই বন্ধু রানা ও পারভেজকে নিয়ে বাসায় অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ সেপটিক ট্যাংক থেকে জমে থাকা গ্যাস পুরো কক্ষে ছড়িয়ে পড়লে দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় তারা তিনজনই আগুনে দগ্ধ হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

ইমরান আরও জানান, যে সাততলা ভবনের নিচতলায় তারা থাকতেন, সেই কক্ষের মেঝে দীর্ঘদিন ধরেই অস্বাভাবিক গরম হয়ে থাকতো। ভুক্তভোগী পরিবার থেকে বিষয়টি একাধিকবার বাড়ির মালিককে জানানো হলেও তিনি তাতে গুরুত্ব দেননি। এছাড়া ভবনের চারপাশে প্রায়ই গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যেত। ধারণা করা হচ্ছে, সেপটিক ট্যাংকের ত্রুটির কারণে গ্যাস লিকেজ হয়ে কক্ষের ভেতরে জমা হয়েছিল।

বার্ন ইনস্টিটিউটের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে রানার শরীরের ৬৩ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। জুয়েলের ৩০ শতাংশ এবং পারভেজের ২১ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়েছে। তাদের দুজনকেও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকাটিতে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং এ ধরনের ঝুঁকির বিষয়ে বাড়ির মালিকের অবহেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার কি মনে হয়, আবাসিক ভবনগুলোতে নিয়মিত গ্যাস লিকেজ ও সেপটিক ট্যাংকের নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় বাড়ির মালিকদের আরও কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত?

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

টানা দুই দফায় সোনার দাম বাড়ল ৬,৫৯০ টাকা: নতুন দাম ও বিস্তারিত

2

উত্তর কোরিয়ার নতুন ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ

3

পাঠ্যবই বিতরণে শৃঙ্খলা আনতে পেপার মিল ও প্রিন্টারদের মধ্যে হবে আনুষ্ঠানিক চুক্তি

4

নতুন লুকে স্পাই হলো পরবর্তী প্রজন্মের বাজাজ পালসার ১২৫, থাকছে মনোশক সাসপেনশন

5

স্টারমারের পদত্যাগের দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

6

টিম সেইফার্ট ও জস বাটলারের তাণ্ডবে ওয়েলশ ফায়ারকে ৯ উইকেটে হারাল সুপার জায়েন্টস

7

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাক উল্টে পথচারী নিহত, আহত ৪

8

মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতের ১৬ পরিবার পেল ৬৪ লাখ টাকার সহায়তা

9

পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতা ঘোষণার বর্ণনা বদলাচ্ছে: যেভাবে থাকছে ইতিহাস

10

চেলসির হয়ে জাবি আলোনসোর জয় দিয়ে শুরু, অভিষেক ম্যাচে গোল করলেন রজার্স