|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Jun 5, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

২১০০ সালের মধ্যে ডুববে বাংলাদেশের ১৭%! মানচিত্র থেকে হারানোর ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৭ অঞ্চল

মানচিত্রে বাংলাদেশ। ছবি : সংগৃহীত

ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (IPCC)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩২ থেকে ৮৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে. এর ফলে আগামী কয়েক দশকের মধ্যে বিশ্বের ১৭টি নিচু দ্বীপরাষ্ট্র ও উপকূলীয় শহর মানচিত্র থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা তাদের জন্য এক চরম অস্তিত্বের সংকট তৈরি করবে. দ্য জেরুজালেম পোস্ট-এ প্রকাশিত এই গবেষণার সারসংক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের এক ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে. বিশ্বের সর্বনিম্ন উচ্চতার দেশ মালদ্বীপের প্রায় ১,১০০টি দ্বীপের ৮০ শতাংশই ২০৫০ সালের মধ্যে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠতে পারে. একই সঙ্গে টুভালুর প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকা ২১০০ সালের মধ্যে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং কিরিবাতিতে সমুদ্রের উচ্চতা বিশ্বব্যাপী গড়ের চেয়ে চারগুণ দ্রুত বাড়ছে. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও সলোমন দ্বীপপুঞ্জের অনেক দ্বীপ ইতিমধ্যে সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে.

এই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নামও রয়েছে. এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ বাংলাদেশ তার মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১৭ শতাংশ হারাতে পারে, যার ফলে প্রায় ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে. এ ছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ত পানি প্রবেশ এবং ঘন ঘন ঝড়ের কারণে দেশের কৃষি কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা মানুষকে অন্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত হতে বাধ্য করছে. নিচু দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর পাশাপাশি বিশ্বের বেশ কিছু ঐতিহাসিক শহর ও উন্নত দেশও এই জলবায়ু সংকটের মুখে পড়েছে. যেমন পর্যটকদের প্রিয় ইতালির ভেনিস শহরটি প্রতি বছর ১ থেকে ২ মিলিমিটার করে তলিয়ে যাচ্ছে এবং ইতিমধ্যে এটি ১৮টি ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন হয়েছে. যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি শহরটি ছিদ্রযুক্ত চুনাপাথরের ভিত্তির ওপর গঠিত হওয়ায় নিচ থেকে পানি উঠে এসে দীর্ঘমেয়াদি বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে. এমনকি নেদারল্যান্ডসের মতো উন্নত দেশেরও এক-চতুর্থাংশ এলাকা সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে এবং প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ বন্যার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করছেন. তালিকায় আরও রয়েছে নাউরু, টরেস প্রণালী দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, ভানুয়াতু, সেশেলস, সামোয়া, ফিজি ও বাহামাসের মতো অঞ্চল. এই অঞ্চলগুলো হারিয়ে গেলে গোটা পৃথিবীর জীববৈচিত্রে বড় বিপর্যয় ঘটবে, যা কেবল ভূরাজনীতিই বদলে দেবে না, বরং লাখ লাখ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপন্ন করে তুলবে.

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | ২৪ পদ

1

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যা মামলায় ইউটিউবার ফাহিম গ্রেপ্তার:

2

সিনেপ্লেক্সে ফের আটকে গেল শাকিবের ‘প্রিন্স’, ক্ষুব্ধ দর্শক

3

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: প্রধ

4

দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে ঈদ উদ্‌যাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক

5

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রেন দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত | মিসিসিপি নিউজ ২০২৬

6

ঢাবিতে পানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক ক্যাম্প

7

সুন্দরবনে মধু চুরির হিড়িক: মৌমাছির প্রজনন ও রাজস্ব সংকটে সুন

8

হায়দ্রাবাদকে উড়িয়ে আইপিএল শুরু আরসিবির, ২৬ বল বাকি থাকতেই দা

9

পুলিশ প্রশাসনে বড় রদবদল: ৬ জেলার এসপিসহ ১০ কর্মকর্তার বদলি

10

নবম পে-স্কেল ও বেতন বৃদ্ধির দাবি সরকারি কর্মচারী ঐক্য পরিষদে

11

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল থেকে শুর

12

ভেঙে গেল অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদের সংসার: বিচ্ছেদের পথে হাঁটল

13

দীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে ফিরল জাগরণী থিয়েটারের ‘রাজার চিঠি’

14

এবার কুর্দি অঞ্চলে ইরানের হামলা: মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিতে

15

ঢাবি ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টার

16

হৃদান রোশন ফিল্ম স্টাডিজ ইউএসসি ২০২৬ | হৃতিক রোশন পুত্র আপডে

17

ইরানে ট্রেন ভ্রমণে ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা: বেসামরিক অবকাঠামোতে

18

নারায়ণগঞ্জ আদালত রায় ৩১ মার্চ ২০২৬ | শিশু হত্যা মামলার মৃত্য

19

বিপিএসসি সচিবালয়ে ৯০ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: আবেদন শুর

20