নতুন বেতন কাঠামো বা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন। শুক্রবার (১৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নবম পে-স্কেল কার্যকর করার আল্টিমেটাম দিয়েছে। দীর্ঘ ১১ বছর নতুন কোনো বেতন কাঠামো না পাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির চাপে কর্মচারীরা দিশেহারা বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ২০১৫ সালের পর আর কোনো পে-স্কেল না আসায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছেন না প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। এই সময়ে মুদ্রাস্ফীতি ১০৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ৩৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের কথা শোনা গেলেও গেজেট প্রকাশ বা বাস্তবায়নের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। দ্রুত নবম পে-স্কেল গেজেট আকারে প্রকাশ করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জোর দাবি জানানো হয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণসহ ১২টি গ্রেডের প্রস্তাব সম্বলিত ৭ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বাতিল হওয়া টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান, রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং পেনশন গ্র্যাচুইটির হার বৃদ্ধি। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সচিবালয়ের মতো সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে পদ-বৈষম্য দূর করা এখন সময়ের দাবি।
মন্তব্য করুন