পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর পর প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিযোগিতা ও পর্দার আড়ালের কাদা ছোড়াছুড়ি। ২৬ জন ডিআইজির এসিআর ও সার্ভিস রেকর্ড যাচাই-বাছাই করে শূন্য থাকা ৫টি পদে ৫ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত ও দলবাজ কর্মকর্তা গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে পদোন্নতিবঞ্চিত হওয়া সৎ ও পেশাদার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এবার নতুন করে নানা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পদোন্নতিপ্রত্যাশীদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোপণ করা একটি ‘ক্রিসমাস ট্রি’ কাটার প্রায় তিন দশক আগের একটি ইস্যুকে টেনে আনা হয়েছে। ২০১৮ সালে পুলিশ সদর দপ্তরের সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে তৎকালীন আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারীর সময়ে গাছটি কাটা হলেও, এখন বর্তমান পদোন্নতির দৌড়ে থাকা নিরীহ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের ঘাড়ে সেই দায় চাপানোর অপচেষ্টা চলছে। অথচ তৎকালীন সময়ে ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে এসব কর্মকর্তাদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সাবেক আইজিপি আব্দুল কাইয়ুমসহ ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা এ ধরনের অপকৌশল ও অভ্যন্তরীণ দলাদলির তীব্র সমালোচনা করে বিষয়টি নিয়মতান্ত্রিক ও নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন