ভারতের হরিয়ানার ফারিদাবাদের সিক্রোনা গ্রামের একটি প্রাইভেট স্কুলে মর্মান্তিক এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে মুখোসধারী এক আততায়ী স্কুলে ঢুকে ২৪ বছর বয়সি সন্ধ্যা নামের এক শিক্ষিকাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। পুলিশ ফাড়ির ঠিক পাশেই অবস্থিত ওই স্কুলটিতে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে যাওয়া এই নৃশংসতার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ অভিযুক্ত অমিতকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখোস পরা এক তরুণ স্কুলে প্রবেশ করে লবিতে অপেক্ষা করার পর শিক্ষিকা সন্ধ্যাকে বাইরে ডেকে আনে এবং টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত শুরু করে। মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে সন্ধ্যার মুখ, ঘাড়, বুক ও পেটে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ বার ছুরিকাঘাত করা হয়। স্কুলের প্রশাসক চিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে আততায়ী তাকেও ছুরি নিয়ে ধাওয়া করে এবং পরে রেজিস্টার নম্বরবিহীন একটি মোটরসাইকেলে চড়ে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা সন্ধ্যাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে অমিত ওই শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত ও জোরপূর্বক যোগাযোগের চেষ্টা করে আসছিল। কিছুদিন আগে সন্ধ্যার করা শ্লীলতাহানির অভিযোগে অমিত প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও মনে মনে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন