মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়ন নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়: বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়। আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল:
সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি: বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট।
ব্যাংকিং সংস্কার: খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের পুনর্গঠন কার্যক্রম।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ: অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উদ্যোগ।
ডিজিটাল পেমেন্ট: বাংলাদেশের ‘ক্যাশলেস’ বিনির্মাণ এবং বাংলা কিউআর (Bangla QR) এর অগ্রগতির প্রশংসা।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিশ্রুতি: অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক খাতের সক্ষমতা উন্নয়নে তাদের কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গভর্নর বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার অতীত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জ্ঞান বিনিময় ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: বৈঠকে অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের আওতায় অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেন যে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, বিএফআইইউ প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়নে বিদেশি কারিগরি সহায়তা আমাদের অর্থনীতিতে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
মন্তব্য করুন