আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়ায় তারা তীব্র সেশনজটে পড়েছেন। বিশেষ করে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আট মাস পিছিয়ে যাওয়ায় তাদের শিক্ষাজীবনে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বারবার প্রশাসনের কাছে ধরণা দিলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা কঠোর কর্মসূচির পথ বেছে নিতে বাধ্য হন।
১. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব কোর্সের ইনকোর্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা।
২. আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাকি দুই সেমিস্টারের কার্যক্রম শেষ করা।
৩. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাকি দুই সেমিস্টারের বিস্তারিত রোডম্যাপ প্রকাশ।
৪. পরীক্ষা শেষ হওয়ার আট সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা।
৫. শিক্ষক সংকট থাকলে গেস্ট টিচার নিয়োগের মাধ্যমে কোর্স সম্পন্ন করা।
৬. উল্লেখিত দাবিগুলোর বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত প্রতিশ্রুতি প্রদান।
আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাসুদা কামাল ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করেন এবং দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের মৌখিক প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতে দুপুরে শিক্ষার্থীরা তালা খুলে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
পরবর্তীতে বিকেলে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যৌক্তিক বলে প্রতীয়মান হয়েছে এবং তা মেনে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে তারা পুনরায় আন্দোলনে নামবেন।
মন্তব্য করুন